ধ্বনিবিদ মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা মূল স্বরধ্বনির তালিকায় যে নতুন মূল ধ্বনিটি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেটি -?

ক) এ্যা ধ্বনি
খ) ও ধ্বনি
গ) য় ধ্বনি
ঘ) উ ধ্বনি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও ধ্বনিবিদ মুহাম্মদ আব্দুল হাই বাংলা ভাষার ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনির পাশাপাশি অষ্টম মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে 'অ্যা' ধ্বনিকে প্রতিষ্ঠা করেন।
পূর্বে একে 'এ' ধ্বনির একটি বিকৃত রূপ বলে মনে করা হতো।
কিন্তু তিনি গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে, 'অ্যা' একটি স্বতন্ত্র ধ্বনি, যা 'এ' বা অন্য কোনো স্বরধ্বনির উপর নির্ভরশীল নয়।
'এখন', 'এক', 'ব্যাঙ' ইত্যাদি শব্দে এই ধ্বনির সুস্পষ্ট ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
বাংলা বর্ণমালায় এই ধ্বনিটির জন্য কোনো নির্দিষ্ট বর্ণ না থাকলেও, এটি ভাষার একটি অপরিহার্য মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে স্বীকৃত।

Related Questions

ক) ৩০
খ) ৩২
গ) ৩৭
ঘ) ৩৯
Note :

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা ৩৭টি।
- মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি ও মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি।
- মৌলিক স্বরধ্বনি: অ, আ, ই, উ, অ্যা, এ, ও।
- মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, ঘ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, র, ল, শ, স, হ, ড়, ঢ়।

ক) ধ্বনি দৃশ্যমান
খ) মানুষের ভাষার মূলে আছে কতগুলো ধ্বনি
গ) অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি
ঘ) ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়
Note :

মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে কথা বলে তার মূলে আছে কতকগুলো ধ্বনি।
-ড. হায়াৎ মামুদ ‘ভাষা-শিক্ষা’ গ্রন্থে বলেন, ‘মনের ভাব প্রকাশের জন্য মুখ থেকে যে আওয়াজ বা শব্দ বের হয় তাকে ধ্বনি বলে। তবে, ব্যাকরণে শুধু মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থবোধক আওয়াজকে ধ্বনি বলে।
-অর্থাৎ অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিই ভাষার প্রধান উপাদান। কিন্তু ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়। একজন বলে অন্যজন শোনে। সেই ধ্বনিকে, আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে, বাধ্বনিকে একটা দৃশ্যরূপ দেওয়ার জন্যই বর্ণের সৃষ্টি হয়েছে।'
-ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ‘তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা' গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের সঙ্গে মানুষের সামাজিকতা বজায় রাখতে হলে তার প্রধান উপায় কথা বলা, মুখ খোলা, আওয়াজ করা। সে আওয়াজ বা ধ্বনিগুলোর একমাত্র শর্ত হচ্ছে যে, সেগুলো অর্থবোধক হওয়া চাই।’
-‘অর্থবোধকতা’ প্রসঙ্গে ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে বলেন, ‘অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি।' মানুষের বাক-প্রত্যঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালী, মুখবিবর, জিহ্বা, আল-জিহ্বা, নাসিকা, কোমল তালু, শক্ত তালু, দাঁত, মাড়ি, চোয়াল, ঠোঁট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ধ্বনি বলে।

ক) দাঁত
খ) তালু
গ) কান
ঘ) নাক
Note :

উচ্চারণ কার্যের সঙ্গে যুক্ত ইন্দ্রিয়সমূহ ১. ঠোঁট , ওষ্ঠ ২. দাঁতের পাটি ৩. দন্তমূল, অগ্র দন্তমূল ৪. অগ্রতালু, শক্ত তালু ৫. পশ্চাত্তালু , নরম তালু, মূর্ধা ৬. আলজিভ ৭. জিহ্বাগ্র ৮. সম্মুখ জিহ্বা ৯. পশ্চাদ জিহ্বা, জিহ্বামূল ১০. নাসা - গহ্বর ১১. স্বর - পল্লব, স্বরতন্ত্রী ও ১২. ফুসফুস।

ক) কণ্ঠনালী
খ) তালু
গ) জিহ্বা
ঘ) দাঁত
Note :

- ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্‌যন্ত্র বলে।
- মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
- মুখগহ্বরের নিচের অংশে জিভের অবস্থান।
বাগ্‌যন্ত্রের মধ্যে জিভ সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ।
- জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং মুখগহ্বরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে জিভের স্পর্শের প্রকৃতি অনুযায়ী ধ্বনির বৈচিত্র্য তৈরি হয়।

জব সলুশন

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড - ট্রেইনি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট 2026-02-07

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন