একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% (বৃদ্ধি) এবং প্রস্থ ১০% (হ্রাস) করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?

ক) ৮% হ্রাস
খ) ৮% বৃদ্ধি
গ) ১০৮% বৃদ্ধি
ঘ) ১০৮% হ্রাস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

২০% বৃদ্ধি তে ,
দৈর্ঘ্য ১০০ হলে পরবর্তী দীর্ঘ = ১২০

১০% হ্রাসে ,
প্রস্থ ১০০ হলে প্রস্থ = ৯০

ক্ষেত্রফল = (১২০ x ৯০) = ১০৮০০
প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষেত্রফল = (১০০ x ১০০)= ১০০০০
বৃদ্ধি = (১০৮০০-১০০০০) =৮০০ তাহলে ,
শতকরা বৃদ্ধি = (৮০০/১০০০০) X ১০০ = ৮%

Related Questions

ক) ১৪ টাকা
খ) ৪২ টাকা
গ) ১২ টাকা
ঘ) ১০৫ টাকা
Note :

১০০ টাকায় ভ্যাট ৪ টাকা
৩৫০ টাকায় ভ্যাট ৪×৩৫০/১০০ = ১৪ টাকা
সুতরাং,
১ কেজিতে ভ্যাট দিতে হয় ১৪ টাকা
৩ কেজিতে ভ্যাট দিতে হয় ১৪×৩ = ৪২ টাকা

ক) তালু
খ) মূর্ধা
গ) দন্ত
ঘ) জিহ্বামূল
Note :

"ঘ" বর্ণের উচ্চারণ স্থান হলো কণ্ঠ (বা জিহ্বামূল)। তাই এটি একটি কণ্ঠ্য ধ্বনি। "ক" বর্গীয় (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) সকল বর্ণের মতোই "ঘ" উচ্চারণের সময় জিহ্বার পেছনের অংশ কোমল তালুকে স্পর্শ করে। 

ক) ৭টি
খ) ৯টি
গ) ৬টি
ঘ) ৫টি
Note :

বাংলা বর্ণমালায় লিখিতভাবে দীর্ঘস্বর ৭টি: আ, ঈ, ঊ, ঋ, ঐ, ও, ঔ 

ক) ৫টি
খ) ৪টি
গ) ৭টি
ঘ) ৬টি
Note :

বাংলা ব্যাকরণে হ্রস্ব স্বরধ্বনি ৪টি। এগুলো হলো: অ ই উ ঋ

 

ক) উষ্ম বর্ণ
খ) স্বরবর্ণ
গ) ব্যঞ্জন বর্ণ
ঘ) ঘোষ বর্ণ
Note :

- যে কোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলে।
- বাংলা ভাষার বর্ণ সম্পর্কিত চিহ্ন বা প্রতীককে বাংলা বর্ণমালা বলে।
- বাংলা বর্ণ মোট ৫০টি।
- স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি ।
- স্বরবর্ণগুলো হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ ।

ক) ক
খ) ঙ
গ) এ
ঘ) চ
Note :

 স্বরবর্ণ হলো: অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ,ঋ,এ,ঐ,ও,ঔ

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন