নিচের কোনটিতে বিরাম চিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি ?
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই বাক্যটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি। সঠিক নিয়মে স্থানের নামের পর কোলন (:) বসে এবং তারিখের পর কমা (,) বসে না। সঠিক বাক্যটি হবে: ঢাকা: ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২।
Related Questions
নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে শ্রদ্ধাস্পদাসু।
এটি মূলত পত্র বা চিঠিতে বয়োজ্যেষ্ঠ বা সম্মানীয় নারীদের সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণে নিয়ম অনুযায়ী, পুরুষবাচক শব্দে মূর্ধন্য-ষ এবং নারীবাচক শব্দে দন্ত-স ব্যবহৃত হয়।
পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত। পর্তুগিজ শব্দ pera থেকে বাংলা ভাষায় এই শব্দটি এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে এটি একটি বিদেশি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানা হয় না l অব্যয় পদের কোনো লিঙ্গান্তর বা পরিবর্তন হয় না; পুরুষ, স্ত্রী বা ক্লীব—সব ক্ষেত্রেই অব্যয় পদ অপরিবর্তিত বা অপরূপ l
আমি' শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে উভয় লিঙ্গ।
কারণ, পুরুষ ও নারী—উভয় ব্যক্তিই নিজেদের বোঝাতে 'আমি' শব্দটি ব্যবহার করে থাকে l
'ক্ষীয়মান' শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো বর্ধমান বা'বর্ধিষ্ণু l ক্ষীয়মান', অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে এবং 'বর্ধমান' অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা ক্রমশ বেড়ে চলছে।
পাণিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতের একজন মহান সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ও ভাষাবিজ্ঞানী। খ্রিস্টপূর্ব ৫ম থেকে ৪র্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বর্তমান পাকিস্তানের গান্ধার রাজ্যের শালাতুরা (অধুনা অ্যাটক জেলার কাছে) অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন।
'অষ্টাধ্যয়ী': তিনি ব্যাকরণ শাস্ত্রের উপর "অষ্টাধ্যয়ী" (বা আটটি অধ্যায় বিশিষ্ট) নামক সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। এতে প্রায় ৪,০০০ সূত্র ব্যবহার করে সংস্কৃত ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ দেওয়া হয়েছে।
ভাষাবিজ্ঞানের জনক: তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি কোনো ভাষার গঠনপ্রণালীকে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এজন্য তাঁকে আধুনিক "ভাষাবিজ্ঞানের জনক" (Father of Linguistics) হিসেবেও সম্মান করা হয়।
সংস্কৃত ভাষার প্রমিতকরণ: বৈদিক যুগের পরিবর্তনশীল ভাষাকে তিনি নিয়মের বাঁধনে বেঁধে প্রমিত রূপ প্রদান করেছিলেন, যার ফলে পরবর্তীতে সংস্কৃত ভাষা তার প্রাচীন ঐতিহ্য ও পরিপূর্ণতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়।
জব সলুশন