'একাদশে বৃহস্পতি' অর্থ ----
একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ হল সৌভাগ্যের বিষয় । পোয়াবারো বাগধারাটির অর্থ সৌভাগ্য ।
Related Questions
ক্রিয়া পদের সঙ্গে নাম পদের সম্পর্ককে কারক বলে। বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ হতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, ভীত ও রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। চেনার উপায়: ‘হতে’, ‘থেকে’, ‘চেয়ে’ অনুসর্গ বা বিভক্তি চিহ্ন দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
এখানে ‘গাড়ী স্টেশন ছাড়ল’ বলতে বোঝায় গাড়িটি স্টেশন থেকে বিচ্যুত হয়েছে বা চলে গেছে। কোনো স্থান থেকে বিচ্যুত হওয়া বোঝালে সেটি অপাদান কারক হয়। তাই ‘স্টেশন’ শব্দটি অপাদান কারক।
বাক্যের শেষে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোকে প্রান্তিক বা অন্ত্য বিরাম চিহ্ন বলা হয় ।
প্রান্তিক বিরামচিহ্ন ৩টি। : দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।), প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) এবং বিস্ময়বোধক চিহ্ন (!) ।
না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে সমাস হয় তাই নঞ তৎপুরুষ সমাস।
যেমন: বে (নয়) আইনি = বেআইনি; নয় কাঁড়া = আকাঁড়া ।
'লোভে পাপ পাপে মৃত্যু' বাক্যটিতে 'লোভে' ও 'পাপে' শব্দ দুটি অপাদান কারক l কারণ:
যেহেতু লোভ থেকে পাপের উৎপত্তি হয় এবং পাপ থেকে মৃত্যু ঘটে, তাই কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, বিরত, ভীত, রক্ষিত বা জাত হওয়া বোঝালে তা অপাদান কারক হয় lশব্দগুলোর বিশ্লেষণ: লোভে: লোভ (উৎপত্তি) + এ (সপ্তমী বিভক্তি) -> অপাদান কারকে সপ্তমী。পাপে: পাপ (উৎপত্তি) + এ (সপ্তমী বিভক্তি) -> অপাদান কারকে সপ্তমী。
'দ্যুলোক' শব্দের অর্থ হলো স্বর্গ, স্বর্গলোক, বা আকাশ। বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্যে সংস্কৃত 'দ্যু' (যার অর্থ উজ্জ্বল বা স্বর্গ) এবং 'লোক' (জগৎ) যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে । এটি মূলত দেবতাদের বাসস্থান বা ঊর্ধ্বলোক নির্দেশ করে l
'ঋজু' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো বঙ্কিম বা বাঁকা। 'ঋজু' শব্দের অর্থ হলো সোজা বা সরল।
জব সলুশন