' উপভাষা ' কোন সমাসের উদাহরণ?
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- সামীপ্য (নৈকট্য), বিস্সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা (যথা), সাদৃশ্য (উপ), যোগ্যতা, পশ্চাৎ (অনু), ঈষৎ (আ) প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন: ভাষার সদৃশ = উপভাষা।
Related Questions
বক্তব্য' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: √বচ্ + তব্য।
এখানে 'বচ্' হলো ধাতু (প্রকৃতি) এবং 'তব্য' হলো কৃৎ প্রত্যয়। এটি একটি কৃদান্ত শব্দ, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়।
বাংলা ব্যাকরণে হাইফেন (-) এবং ইলেক বা লোপ চিহ্ন ( ’ ) প্রয়োগের ক্ষেত্রে থামার কোনো প্রয়োজন নেই。 [1, 2]
হাইফেন (-): সমাসবদ্ধ বা পাশাপাশি বসে এমন পদগুলোকে যুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন (’): কোনো বর্ণ বা স্বরধ্বনি বাদ পড়েছে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (যেমন— বল’ব)। [1, 2]
এদের কাজ শুধু শব্দের গঠন বা রূপ স্পষ্ট করা, বাক্যের মধ্যকার বিরতি নির্দেশ করা নয়
'ষড়ঋতু' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্ + ঋতু। [1]
জব সলুশন