একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়, তাকে কি বলে?
দুটি সমজাতীয় স্বরের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর জন্য মাঝখানে অন্য একটি স্বরধ্বনি যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে 'অসমীকরণ' বা Dissimilation বলা হয়। যেমন: টপ + টপ = টপাটপ। এখানে পুনরাবৃত্তি এড়াতে একটি 'আ' স্বরধ্বনি আনা হয়েছে।
Related Questions
স্বরাগম : ক) আদি স্বরাগম : উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে বলে আদি স্বরাগম। যেমন : স্কুল>ইস্কুল, স্টেশন>ইস্টিশন। এরূপ : আস্তাবল, আস্পর্ধা।
এখানে আগের স্বর 'ই'-এর প্রভাবে পরের স্বর 'আ' পরিবর্তিত হয়ে 'এ'-তে পরিণত হয়েছে (মিঠা > মিঠে)। যেহেতু আগের স্বরের প্রভাবে পরিবর্তন হয়েছে, তাই এটি স্বরসঙ্গতির উদাহরণ।
বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি হলো মহাপ্রাণ (যেমন: খ, ঘ, ছ, ঝ) এবং প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনি হলো অল্পপ্রাণ (যেমন: ক, গ, চ, জ)। যখন কোনো মহাপ্রাণ ধ্বনি দুর্বল হয়ে অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিণত হয়, তখন তাকে 'ক্ষীণায়ন' বলে। যেমন: দুধ > দুদ, মাথা > মাতা।
এখানে 'তৎ'-এর 'ত্' এবং 'হিত'-এর 'হ' ধ্বনি মিলিত হয়ে 'দ্ধ' (দ্+ধ) ধ্বনিতে পরিণত হয়েছে। দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন যুক্তধ্বনি তৈরি করেছে, যা সমীভবনের একটি রূপ।
জব সলুশন