'চর্যাপদ' কোন ছন্দে লেখা?
ক) অক্ষরবৃত্ত
খ) মাত্রাবৃত্ত
গ) স্বরবৃত্ত
ঘ) অমিত্রাক্ষর ছন্দ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের ছন্দ মূলত মাত্রাবৃত্ত। এর প্রতিটি পদে সাধারণত ১৬টি মাত্রা থাকে, যা চারটি পর্বে বিভক্ত (৪+৪+৪+৪)। তবে কিছু পদে মাত্রার ব্যতিক্রমও দেখা যায়।
Related Questions
ক) চর্যাপদ
খ) পদাবলি
গ) মঙ্গলকাব্য
ঘ) রোমান্সকাব্য
Note : চর্যাপদের ভাষা 'সন্ধ্যাভাষা' বা 'সান্ধ্যভাষা' নামে পরিচিত। এই ভাষার বাইরের অর্থ এক, কিন্তু এর একটি গভীর বা গুহ্য অভ্যন্তরীণ অর্থ রয়েছে, যা কেবল সাধনার মাধ্যমে বোঝা সম্ভব। আলো-আঁধারির মতো রহস্যময় বলেই একে সন্ধ্যাভাষা বলা হয়।
ক) কাহ্নপা
খ) হাড়িপা
গ) ভাদে
ঘ) লুইপা
Note : 'অভিসময়বিভঙ্গ' গ্রন্থটি চর্যাপদের আদি কবি লুইপার রচিত একটি বিখ্যাত তান্ত্রিক গ্রন্থ। এটি তাঁর পাণ্ডিত্য ও দার্শনিক গভীরতার পরিচায়ক।
ক) চর্যাপদ
খ) বৈষ্ণব পদাবলি
গ) ঐতরেয় আরণ্যক
ঘ) দোহাকোষ
Note : 'চর্যাপদ' হলো বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম কবিতা বা গানের সংকলন। এটিই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। 'বৈষ্ণব পদাবলি' মধ্যযুগের সৃষ্টি। 'ঐতরেয় আরণ্যক' বৈদিক সাহিত্যের অংশ এবং 'দোহাকোষ' মূলত অপভ্রংশ ভাষায় রচিত, যদিও চর্যার সাথে এর ভাবগত মিল রয়েছে।
ক) কাহ্নপা
খ) চাটিলপা
গ) শান্তিপা
ঘ) ভুসুকুপা
Note : পঙ্ক্তিটি কাহ্নপার রচিত একটি পদ থেকে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ: আলি ও কালি (শ্বাস-প্রশ্বাসের দুই পথ) দ্বারা পথ রুদ্ধ হয়ে গেল, তা দেখে কাহ্ন (সাধক) বিষণ্ণ হলেন। এটি যোগসাধনার একটি অবস্থার রূপক বর্ণনা।
ক) কাহ্নপা
খ) লুইপা
গ) ডাকার্ণব
ঘ) মুনিদত্ত
Note : চর্যাপদের আবিষ্কৃত পাণ্ডুলিপিতে সংস্কৃত ভাষায় একটি টীকা বা ব্যাখ্যা সংযুক্ত ছিল। এই টীকার রচয়িতা ছিলেন মুনিদত্ত। তাঁর টীকার সাহায্যেই চর্যার গুহ্য অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ক) ইসলাম ধর্ম
খ) খ্রিষ্টধর্ম
গ) শিখ ধর্ম
ঘ) বৌদ্ধধর্ম
Note : চর্যাপদের পদকর্তারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য। তাঁরা বৌদ্ধধর্মের একটি বিশেষ শাখা 'সহজযান'-এর অনুসারী ছিলেন। তাই চর্যাপদের সঙ্গে বৌদ্ধধর্ম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
জব সলুশন