দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে?
ক) সম্রাট আকবর
খ) মুহম্মদ বিন তুগলক
গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ঘ) সুলতান ইলিয়াস শাহ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সুলতান মুহম্মদ বিন তুগলক (১৩২৫-১৩৫১) তার খামখেয়ালি পরিকল্পনার জন্য পরিচিত। তিনি ১৩২৭ খ্রিস্টাব্দে দিল্লি থেকে রাজধানী দক্ষিণ ভারতের দেবগিরিতে (যার নতুন নাম দেন দৌলতাবাদ) স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র ভারতকে ভালোভাবে শাসন করা এবং মোঙ্গল আক্রমণ থেকে রাজধানীকে সুরক্ষিত রাখা, কিন্তু এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।
Related Questions
ক) তানসেনকে
খ) আমীর খসরুকে
গ) আবুল ফজলকে
ঘ) গালিবকে
Note :
বুলবুল - ই - হিন্দ বলা হয় তানসেনকে।
তানসেনের একটি উপাধি বুলবুল - ই - হিন্দ।
সম্রাট আকবরের নবরত্ন সভার একজন তানসেন।
তিনি সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন বলে তাকে এ উপাধি দেয়া হয়।
ক) তুরঘাই
খ) আবাগা
গ) চাগতাই
ঘ) কাজঘান
Note : তৈমুর লঙ (১৩৩৬-১৪০৫) ছিলেন মধ্য এশিয়ার একজন বিখ্যাত তুর্কি-মোঙ্গল কারী। তিনি সমরখন্দকে রাজধানী করে এক বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তার পিতার নাম ছিল আমির তুরঘাই, যিনি বারলাস উপজাতির প্রধান ছিলেন।
ক) সম্রাজ্ঞী নূরজাহান
খ) সুলতানা রাজিয়া
গ) মমতাজ
ঘ) যোধা বাঈ
Note : সুলতান ইলতুৎমিশের কন্যা রাজিয়া সুলতানা (শাসনকাল: ১২৩৬-১২৪০) ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম এবং একমাত্র মুসলিম নারী শাসক। তিনি তার ভাইদের চেয়ে বেশি যোগ্য হওয়ায় ইলতুৎমিশ তাকে মনোনীত করেছিলেন।
ক) লর্ড কর্নওয়ালিস
খ) শেরশাহ
গ) মুহম্মদ বিন তুগলক
ঘ) ইলতুৎমিশ
Note : তিনিই প্রথম দিল্লি সালতানাতে আরবি মুদ্রার অনুকরণে নির্দিষ্ট মানের রূপার মুদ্রা 'টঙা' এবং তামার মুদ্রা 'জিতল' প্রবর্তন করেন। এটি সালতানাতের অর্থনীতিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। শেরশাহ পরবর্তীতে মুদ্রা ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কার করেন, কিন্তু প্রথম প্রবর্তক ইলতুৎমিশ।
ক) উলুঘ খাঁ
খ) মালিক কাফুর
গ) নসরত খান
ঘ) জাফর খান
Note : যদিও উলুঘ খান, নসরত খান ও জাফর খান সকলেই আলাউদ্দিন খলজির গুরুত্বপূর্ণ সেনাপতি ছিলেন, কিন্তু মালিক কাফুর ছিলেন তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং প্রধান সেনাপতি। বিশেষ করে দাক্ষিণাত্য অভিযানে তার ভূমিকা ছিল কিংবদন্তিতুল্য। তাই তাকেই প্রধান সেনাপতি হিসেবে গণ্য করা হয়।
ক) মুহম্মদ বিন তুগলক
খ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
গ) শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ
ঘ) ইলিয়াস শাহ
Note : মুহম্মদ বিন তুগলক তার বিভিন্ন পরিকল্পনার মধ্যে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে কৃষির উন্নতির জন্য 'দিওয়ান-ই-আমির-কোহী' নামে একটি পৃথক কৃষি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনা এবং কৃষকদের ঋণ (তাকাভি) দিয়ে সাহায্য করা।
জব সলুশন