গিয়াসউদ্দিন বলবনের শাসনকাল কোনটি?
ক) ১২৬৬-৮৭ খ্রি
খ) ১২৬০-৮০ খ্রি
গ) ১২৬০-৮৮ খ্রি
ঘ) ১২৬৮-৮৮ খ্রি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গিয়াসউদ্দিন বলবন ছিলেন মামলুক বংশের অন্যতম শক্তিশালী সুলতান। তিনি নাসিরউদ্দিন মাহমুদের মৃত্যুর পর ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে বসেন এবং ১২৮৭ খ্রিস্টাব্দে তার মৃত্যু পর্যন্ত শাসন করেন। তার শাসনকাল ছিল ১২৬৬ থেকে ১২৮৭ খ্রিস্টাব্দ।
Related Questions
ক) মুহাম্মদ ঘুরী
খ) সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
গ) বলবন
ঘ) সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক
Note : কুতুবউদ্দিন আইবেক সুফি সাধক খাজা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীর স্মরণে কুতুব মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং প্রথম তলা নির্মাণ করেন। তার মৃত্যুর পর জামাতা ও সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।
ক) ইলতুৎমিশ
খ) কুতুব উদ্দিন আইবেক
গ) সুলতান মাহমুদ
ঘ) আরাম শাহ
Note : বন্দেগান-ই-চেহেলগান' বা 'চল্লিশ চক্র' ছিল চল্লিশজন তুর্কি ক্রীতদাসীর বা অভিজাতদের একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী। সুলতান ইলতুৎমিশ তার শাসনকে সুদৃঢ় করতে এবং বিশ্বস্ত অনুসারী তৈরি করতে এই চক্রটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীতে এটি অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে ওঠে।
ক) কুতুবউদ্দিন আইবেক
খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
গ) ফিরোজ শাহ তুগলক
ঘ) আলাউদ্দিন খলজি
Note : ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা আল-মুনতাসির বিল্লাহ ইলতুৎমিশকে 'সুলতান-ই-আজম' বা 'মহান সুলতান' উপাধি দিয়ে তার শাসনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন। এই স্বীকৃতি দিল্লি সালতানাতের সার্বভৌমত্বকে ইসলামি বিশ্বে বৈধতা দিয়েছিল।
ক) কুতুবউদ্দিন আইবেক
খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
গ) গিয়াসউদ্দিন বলবন
ঘ) আলাউদ্দিন খলজি
Note : কুতুবউদ্দিন আইবেক সালতানাত প্রতিষ্ঠা করলেও নানা বিদ্রোহ দমন সুসংহত করার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। তার ইলতুৎমিশ মোঙ্গল আক্রমণ প্রতিহত করে, মুদ্রাব্যবস্থা চালু করে এবং রাজধানী দিল্লিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে সালতানাতকে একটি দৃঢ় ও স্থায়ী রূপ দেন। একারণে ইলতুৎমিশকে 'দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা' বলা হয়।
ক) মুহম্মদ বিন কাসিম
খ) কুতুবউদ্দিন আইবেক
গ) ইলতুৎমিশ
ঘ) গিয়াসউদ্দিন বলবন
Note : মুহম্মদ ঘুরীর মৃত্যুর পর তার সেনাপতি এবং কুতুবউদ্দিন আইবেক ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে দিল্লির স্বাধীন সুলতান হিসেবে ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি মামলুক বা দাস বংশের সূচনা করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে 'দিল্লি সালতানাত' প্রতিষ্ঠা করেন। তাই তাকেই দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
ক) মুহম্মদ বিন কাসিম
খ) মাহমুদ গজনী
গ) মুহম্মদ ঘুরী
ঘ) কুতুবউদ্দিন আইবেক
Note : ভারতে মুসলিম শাসনের 'স্থায়ী' প্রতিষ্ঠা বলতে সেই শাসনকে বোঝানো হয় যা একটি দীর্ঘস্থায়ী সাম্রাজ্যের সূচনা করে। মুহম্মদ ঘুরী তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয়ের মাধ্যমে উত্তর ভারতে তুর্কি শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং তার প্রতিনিধি হিসেবে কুতুবউদ্দিন আইবেককে নিযুক্ত করেন। এই বিজয়ই ভারতে একটি স্থায়ী মুসলিম শাসনের পথ তৈরি করে, যা দিল্লি সালতানাত হিসেবে পরিচিতি পায়।
জব সলুশন