নবাব সরফরাজ খানের বাংলায় শাসনকাল -
ক) ১৭২৭-১৭৩৯
খ) ১৭৩৯-১৭৪০
গ) ১৭৩০-১৭৪০
ঘ) ১৭১৭-১৭২৭
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
নবাব সুজাউদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সরফরাজ খান ১৭৩৯ সালে সিংহাসনে বসেন। কিন্তু তিনি মাত্র এক বছর শাসন করতে পেরেছিলেন। ১৭৪০ সালে গিরিয়ার যুদ্ধে আলীবর্দী খানের কাছে পরাজিত ও নিহত হন।
Related Questions
ক) মির্জা মুহম্মদ আলি
খ) সুজাউদ্দিন
গ) সরফরাজ খাঁ
ঘ) হাজি আহমদ
Note : আলীবর্দী খান ছিলেন তাঁর উপাধি। তাঁর আসল বা প্রকৃত নাম ছিল মির্জা মুহম্মদ আলি। তিনি ছিলেন সুজাউদ্দিনের অধীনস্থ একজন কর্মকর্তা যিনি পরে ক্ষমতা দখল করেন।
ক) মহারাষ্ট্রীয়
খ) হিন্দি
গ) তামিল
ঘ) তুর্কি
Note : 'বর্গী' শব্দটি ফার্সি 'বার-গীর' থেকে উদ্ভূত হলেও এটি মারাঠি (মহারাষ্ট্রীয়) ভাষায় মারাঠা অশ্বারোহী যোদ্ধাদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো এবং সেই অর্থেই বাংলায় প্রচলিত হয়। তাই এর প্রায়োগিক উৎস মহারাষ্ট্রীয়।
ক) মুর্শিদকুলী খান
খ) শায়েস্তা খান
গ) কাসিম খান
ঘ) আলীবর্দী খান
Note : মুর্শিদকুলী খান তাঁর শাসনামলে বাংলার ভূমি-রাজস্ব ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার আনেন যা 'মাল জামিনী' ব্যবস্থা নামে পরিচিত। এর মাধ্যমে তিনি রাজ্যের আয় বৃদ্ধি করেন এবং জমিদারদের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
ক) 1756
খ) 1757
গ) 1856
ঘ) 1857
Note : নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর তাঁর দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
ক) নবাব আলীবর্দী খান
খ) নবাব সরফরাজ খান
গ) নবাব মীর জাফর
ঘ) নবাব মীর কাসিম
Note : নবাব মীর কাসিম ব্রিটিশদের হস্তক্ষেপ ও ষড়যন্ত্র থেকে দূরে থেকে স্বাধীনভাবে শাসনকার্য পরিচালনার জন্য রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে বিহারের মুঙ্গেরে স্থানান্তর করেছিলেন।
ক) ২৩ জুন, ১৭৫৭
খ) ২৫ জুলাই , ১৭৫৭
গ) ১৫ আগস্ট ,১৮৫৮
ঘ) ২৫ আগস্ট,১৮৫৮
Note : এই যুদ্ধটি ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকাননে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।
জব সলুশন