সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হন?
ক) উদয়নালা
খ) গিরিয়া
গ) কাটোয়া
ঘ) পলাশী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন, যা তাঁর শাসনের অবসান ঘটায়।
Related Questions
ক) ফরাসী বিপ্লব
খ) সিপাহি বিদ্রোহ
গ) পলাশীর যুদ্ধ
ঘ) পানিপথের যুদ্ধ
Note : ১৭৫৭ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল পলাশীর যুদ্ধ, যা ভারতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ফরাসী বিপ্লব (১৭৮৯) এবং সিপাহি বিদ্রোহ (১৮৫৭) ভিন্ন সময়ের ঘটনা।
ক) মারাঠি সৈন্যদলকে
খ) মুগল সৈন্যদলকে
গ) বার্মার সৈন্যদলকে
ঘ) ইংরেজ সৈন্যদলকে
Note : 'বর্গী' ছিল মারাঠা সাম্রাজ্যের হালকা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত অশ্বারোহী সৈন্যদল। তারা দ্রুতগতিতে আক্রমণ ও লুণ্ঠন করে পালিয়ে যাওয়ার জন্য পরিচিত ছিল। বাংলায় তাদের আক্রমণ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।
ক) জলদস্যুরা
খ) পর্তুগিজরা
গ) বর্গীরা
ঘ) ইংরেজরা
Note : 'বর্গী' নামে পরিচিত মারাঠা অশ্বারোহী বাহিনী আলীবর্দী খানের শাসনামলে (১৭৪১-১৭৫১) বারবার বাংলা আক্রমণ করে ব্যাপক লুটতরাজ ও অত্যাচার চালায়, যা বাংলার ইতিহাসে 'বর্গীর হাঙ্গামা' নামে কুখ্যাত।
ক) সিরাজউদ্দৌলা
খ) আলিবর্দী খাঁ
গ) মীর জাফর
ঘ) মীর কাসিম
Note : ১৭৪০ সালে গিরিয়ার যুদ্ধে সরফরাজ খানকে পরাজিত করে আলীবর্দী খান বাংলার নবাব হন এবং ১৭৫৬ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর শাসন করেন।
ক) 1660
খ) 1707
গ) 1757
ঘ) 1764
Note : বক্সারের যুদ্ধ ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মীর কাসিম, অযোধ্যার নবাব এবং মুঘল সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনী ব্রিটিশদের কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়, যা ভারতে ব্রিটিশ ক্ষমতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।
ক) ১৭৬০-১৭৬৪
খ) ১৭৬৩-১৭৬৯
গ) ১৭৬৭-১৭৭১
ঘ) ১৭৫৭-১৭৬৭
Note : মীর জাফরকে সরিয়ে ব্রিটিশরা তাঁর জামাতা মীর কাসিমকে ১৭৬০ সালে নবাব পদে বসায়। তিনি ১৭৬৪ সাল পর্যন্ত শাসন করেন, যদিও শেষদিকে ব্রিটিশদের সাথে তাঁর বিরোধ বাধে এবং বক্সারের যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন।
জব সলুশন