‘অন্ধজনে দেহ আলো।’___ বাক্যে ‘অন্ধজনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
‘অন্ধজনে দেহ আলো’ বাক্যে ‘অন্ধজনে’ হলো সম্প্রদান কারকে সপ্তমী (৭মী) বিভক্তি। যেহেতু অন্ধ ব্যক্তিকে কোনো কিছু দেওয়ার পর তা আর ফেরত নেওয়া হয় না (স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা), তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্প্রদান কারক l ‘অন্ধজন’ শব্দের সাথে ‘এ’ যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তি l
Related Questions
‘যা বলা হয়নি’-এর এক কথায় প্রকাশ হলো অনুক্ত l
জল পড়ে , পাতা নড়ে___ ‘জল’ শব্দটি কর্তায় শূন্য
জল পড়ে, পাতা নড়ে। এখানে জল কর্তায় শূণ্য কারক। কারণ, বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়ার সঙ্গে কি বা কে বা কারা যোগ করে প্রশ্ন কলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা - ই কর্তৃকারক। প্রদত্ত বাক্যে, কি পড়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যাবে জল। তাই জল কর্তৃকারক। আর কোন বিভক্তি নেই তাই কর্তায় শূণ্য।
'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি' এটি একটি যৌগিক বাক্য। যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য 'কিন্তু', 'ও', 'কিংবা', 'অথবা', 'এবং' ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এই বাক্যে 'কিন্তু' অব্যয়টি দুটি পূর্ণাঙ্গ অংশকে যুক্ত করেছে।
'শকুনি মামা' বাগধারাটির মূল অর্থ হলো নির্মম আত্মীয় বা কুচক্রী লোক। এছাড়াও বাংলা অভিধান ও বাক্য প্রয়োগের ক্ষেত্রে এর সাধারণ অর্থ দাঁড়ায় কপট ব্যক্তি, ধূর্ত অথবা অনিষ্টকারী।
"দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।" বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ l বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দরিদ্র বা অভাবগ্রস্ত অবস্থাকে 'দারিদ্র্য' বলা হয়। ‘দারিদ্র্যতা’ বা ‘দারিদ্রতা’ শব্দগুলো ব্যাকরণগত দিক থেকে অশুদ্ধ।
জব সলুশন