'হর্ষচরিত' গ্রন্থটি রচনা করেন -
ক) হর্ষবর্ধন
খ) কলহন
গ) বানভট্ট
ঘ) কৌটিল্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন রাজা হর্ষবর্ধনের সভাকবি বানভট্ট। এটি হর্ষবর্ধনের জীবন ও রাজত্বকালের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উৎস।
Related Questions
ক) প্রাচীন জনপদ
খ) তামার পাতে শাসনাদেশ
গ) প্রাচীন গ্রন্থ
ঘ) প্রাচীন ভাষা
Note : তাম্রলিপ্ত ছিল প্রাচীন বাংলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর এবং একটি জনপদ। এটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত ছিল।
ক) মৌর্য বংশ
খ) গুপ্ত বংশ
গ) পাল বংশ
ঘ) সেন বংশ
Note : পাল রাজবংশ আনুমানিক ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ৪০০ বছর ধরে বাংলা শাসন করেছিল, যা একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
ক) মাছবাজার
খ) ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
গ) মাছ ধরার নৌকা
ঘ) আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
Note : মাৎস্যন্যায়' একটি সংস্কৃত শব্দ, যা দিয়ে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝানো হয় যেখানে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি শক্তিশালী লোক দুর্বলদের উপর অত্যাচার করে। এটি আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
ক) ব্রাহ্ম
খ) বৌদ্ধ
গ) জৈন
ঘ) হিন্দু
Note : পাল রাজারা বৌদ্ধ হলেও সেন রাজারা ছিলেন ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু ধর্মের কঠোর অনুসারী ও পৃষ্ঠপোষক। তাঁদের আমলে বাংলায় சைவ ও বৈষ্ণব ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে।
ক) চন্দ্রদ্বীপ
খ) ময়নামতি
গ) সিলেট
ঘ) পাটলীপুত্র
Note : চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল অঞ্চল) ও হরিকেল (সিলেট-চট্টগ্রাম অঞ্চল) উভয়ই বাংলার প্রাচীন জনপদ। ময়নামতি একটি প্রত্নস্থল এবং পাটলিপুত্র ছিল মগধের রাজধানী, বাংলার জনপদ নয়।
ক) হেমন্ত সেন
খ) বল্লাল সেন
গ) বিজয় সেন
ঘ) লক্ষণ সেন
Note : বিজয় সেনই প্রথম পালদের দুর্বলতার সুযোগে নিজেকে একজন স্বাধীন রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং সমগ্র বাংলায় সেন শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে সেনরা সামন্ত রাজা ছিলেন।
জব সলুশন