অশোক কোন বংশের সম্রাট ছিলেন?
ক) মৌর্য
খ) গুপ্ত
গ) পুষ্যভূতি
ঘ) কুশান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সম্রাট অশোক ছিলেন মৌর্য বংশের তৃতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট। তিনি পিতামহ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্যকে আরও گسترش দেন।
Related Questions
ক) প্রাচীন রাজনীতিবিদ
খ) প্রাচীন অর্থশাস্ত্রবিদ
গ) রাজ কবি
ঘ) পণ্ডিত
Note : কৌটিল্য (অপর নাম চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত) ছিলেন একজন প্রাচীন ভারতীয় দার্শনিক, কূটনীতিবিদ এবং সর্বোপরি একজন প্রভাবশালী অর্থশাস্ত্রবিদ। তাঁর লেখা 'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থটি রাষ্ট্র পরিচালনা ও অর্থনীতির উপর একটি কালজয়ী রচনা।
ক) মৌর্য
খ) পুণ্ড্র
গ) গৌড়
ঘ) রাঢ়
Note : পুণ্ড্র, গৌড় ও রাঢ় হলো বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম। অন্যদিকে, মৌর্য হলো একটি সাম্রাজ্য বা রাজবংশের নাম, যা মগধ থেকে উদ্ভূত হয়ে বাংলাসহ সমগ্র ভারতে বিস্তার লাভ করেছিল।
ক) তাম্রলিপ্তি
খ) চন্দ্রকেতুগড়
গ) গঙ্গারিডাই
ঘ) সমন্দর
Note : তাম্রলিপ্তি (বা তাম্রলিপ্ত) খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকেই একটি সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক বন্দর হিসেবে পরিচিত ছিল, যা দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও রোমান সাম্রাজ্যের সাথে বাণিজ্য চলত। এটিই প্রাচীনতম ও বিখ্যাত বন্দর।
ক) আলেকজান্ডারের আগমন
খ) বখতিয়ারের আগমন
গ) রামপালের আগমন
ঘ) গোপালের আগমন
Note : ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বিবদমান নেতা ও প্রতিনিধিরা এই অরাজক অবস্থার অবসান ঘটাতে গোপাল নামক এক ব্যক্তিকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করেন। তাঁর সিংহাসনে আরোহণের মাধ্যমেই মাৎস্যন্যায় যুগের অবসান ঘটে ও পাল বংশের সূচনা হয়।
ক) বগুড়া
খ) কুমিল্লা
গ) বর্ধমান
ঘ) বরিশাল
Note : রাঢ় জনপদটি মূলত ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত ছিল। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের পশ্চিমাংশ এই জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ক) রাঢ়
খ) চট্টলা
গ) শ্রীহট্ট
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : রাঢ় (পশ্চিমবঙ্গ) বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন জনপদ ছিল। চট্টলা (চট্টগ্রাম) ও শ্রীহট্ট (সিলেট) ছিল হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত অঞ্চল বা শহর, কিন্তু নিজেরা স্বতন্ত্র জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল না।
জব সলুশন