ভারতের নেপোলিয়ন কাকে বলা হয়?
ক) কণিষ্ক
খ) অশোক
গ) সমুদ্রগুপ্ত
ঘ) হর্ষবর্ধন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নের মতো दिग्विजयী নীতির মাধ্যমে প্রায় সমগ্র উত্তর ভারত জয় করার জন্য ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতের নেপোলিয়ন' বলে অভিহিত করেছেন।
Related Questions
ক) মৌর্য যুগের
খ) গুপ্ত যুগের
গ) পাল যুগের
ঘ) সুঙ্গ যুগের
Note : গুপ্ত যুগে ভাস্কর্য শিল্প এক নতুন মাত্রা লাভ করে, যেখানে সারনাথ ও মথুরা শিল্পরীতিতে আধ্যাত্মিকতা ও শারীরিক সৌন্দর্যের অপূর্ব সমন্বয় ঘটে। এই শৈলীকেই 'ধ্রুপদী' বা 'ক্লাসিক্যাল' ভাস্কর্য বলা হয়।
ক) মৌর্যযুগ
খ) শুঙ্গযুগ
গ) কুষাণযুগ
ঘ) গুপ্তযুগ
Note : শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শন ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষের কারণে গুপ্ত যুগকে (আনুমানিক ৩২০-৫৫০ খ্রিষ্টাব্দ) প্রাচীন ভারতের 'স্বর্ণযুগ' বা 'ক্লাসিক্যাল যুগ' বলা হয়।
ক) গণিতবিদ
খ) জ্যোতির্বিদ
গ) চিকিৎসাবিদ
ঘ) আয়ুর্বেদশাস্ত্র বিশারদ
Note : চরক ছিলেন কুষাণ সম্রাট কনিষ্কের রাজসভার একজন চিকিৎসক এবং আয়ুর্বেদশাস্ত্রের একজন শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত। তাঁর রচিত 'চরক সংহিতা' আয়ুর্বেদের একটি মৌলিক গ্রন্থ। 'আয়ুর্বেদশাস্ত্র বিশারদ' এখানে সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
ক) অশোক
খ) চন্দ্রগুপ্ত
গ) মহাবীর
ঘ) গৌতম বুদ্ধ
Note : রোমান সম্রাট কনস্ট্যানটাইন যেমন খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে এর প্রসার ঘটিয়েছিলেন, তেমনি সম্রাট অশোক বৌদ্ধধর্মের প্রচারে রাষ্ট্রীয় শক্তি নিয়োগ করেছিলেন। এই কারণে অশোককে 'বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন' বলা হয়।
ক) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
খ) সম্রাট অশোক
গ) সমুদ্রগুপ্ত
ঘ) ধর্মপাল
Note : সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের পর বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করে এর প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন এবং তাঁর সময়েই বাংলাসহ সমগ্র ভারতবর্ষে বৌদ্ধধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে।
ক) হিদাস্পিসের যুদ্ধ
খ) কলিঙ্গের যুদ্ধ
গ) মেবারের যুদ্ধ
ঘ) পানিপথের যুদ্ধ
Note : খ্রিষ্টপূর্ব ২৬১ অব্দে কলিঙ্গ যুদ্ধের (বর্তমান উড়িষ্যা) ভয়াবহ রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে সম্রাট অশোক অনুতপ্ত হন এবং অহিংসার নীতি গ্রহণ করে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হন।
জব সলুশন