সর্বপ্রথম 'বঙ্গ'র উল্লেখ পাওয়া যায় -
ক) রামচরিত
খ) চণ্ডীমঙ্গল
গ) ঐতরেয় আরণ্যক
ঘ) করতোয়া মাহাত্যম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৮০০ অব্দে রচিত বৈদিক সাহিত্য 'ঐতরেয় আরণ্যক'-এ সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' নামক একটি জনগোষ্ঠীর উল্লেখ পাওয়া যায়। এটিই 'বঙ্গ' নামের সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত নিদর্শন।
Related Questions
ক) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
খ) অশোক
গ) ধর্মপাল
ঘ) সমুদ্রগুপ্ত
Note : মেগাস্থিনিস গ্রিক সেনাপতি সেলুকাস কর্তৃক প্রেরিত হয়ে পাটলিপুত্রে মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় দূত হিসেবে আগমন করেন।
ক) টোডা
খ) দ্রাবিড়
গ) সুর
ঘ) আফ্রিদি
Note : দক্ষিণ ভারতের আদি অধবাসীদের 'দ্রাবিড়' নামে অভিহিত করা হয়। সিন্ধু সভ্যতা দ্রাবিড়দের দ্বারা নির্মিত বলে মনে করা হয়। টোডা একটি নির্দিষ্ট উপজাতি, সুর ও আফ্রিদি এই অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ক) কলম্বাস
খ) ইবনে বতুতা
গ) কালিদাস
ঘ) বখতিয়ার খলজি
Note : তিনি তার ভ্রমণকাহিনীতে 'বাঙ্গালা' শব্দটি ব্যবহার করেছেন। যদিও এর আগে শামস-ই-সিরাজ আফিফ-এর 'তারিখ-ই-ফিরুজশাহী' গ্রন্থে 'বাঙ্গালা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পর্যটক হিসেবে ইবনে বতুতার নাম উল্লেখযোগ্য।
ক) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
খ) আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
গ) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
ঘ) হর্ষবর্ধন
Note : ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনামলে (আনুমানিক ৩৭৫-৪১৫ খ্রিষ্টাব্দ) ভারতবর্ষে এসেছিলেন এবং তার ভ্রমণকাহিনীতে তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় অবস্থার বিবরণ দিয়েছেন।
ক) আলমগীর নামা
খ) আইন-ই-আকবরী
গ) আকবর নামা
ঘ) তুজুক-ই-আকবরী
Note : সম্রাট আকবরের সভাসদ আবুল ফজল তার 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে 'বাংলা' নামের উৎপত্তি সম্পর্কে একটি জনপ্রিয় তত্ত্ব দেন। তার মতে, 'বঙ্গ' নামের সাথে জমির বাঁধ বা 'আল' যুক্ত হয়ে 'বঙ্গাল' বা 'বাংলা' নামের উৎপত্তি হয়েছে।
ক) তাম্রশাসন
খ) তাম্রলিপি
গ) তাম্রফলক
ঘ) প্রত্নতত্ত্ব
Note : তামার পাতে খোদাই করা রাজার আদেশ বা আইনকে 'তাম্রশাসন' বলা হয়। এটি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক উৎস। 'তাম্রলিপি' ও 'তাম্রফলক' শব্দগুলোও কাছাকাছি অর্থ বহন করে, তবে 'তাম্রশাসন' সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট পরিভাষা।
জব সলুশন