আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
ক) মহাভারত
খ) রামায়ণ
গ) বেদ
ঘ) ভগবৎ গীতা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'বেদ' হলো আর্যদের সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রধান ধর্মগ্রন্থ। এটি চারটি অংশে বিভক্ত - ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ। মহাভারত ও রামায়ণ হলো মহাকাব্য এবং ভগবদ্গীতা মহাভারতেরই একটি অংশ।
Related Questions
ক) বাহরাইন
খ) ইরাক
গ) মেক্সিকো
ঘ) ইরান
Note : ঐতিহাসিকদের মতে, আর্যদের একটি শাখা মধ্য এশিয়ার ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে অবস্থিত তৃণভূমি অঞ্চল থেকে ইরানে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে একটি দল খাইবার পাস হয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'ইরান' সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।
ক) বাঙালি
খ) আর্য
গ) নিষাদ
ঘ) আলপাইন
Note :
অস্ট্রিক গোষ্ঠীর 'নিষাদ' জাতি হিসেবেও অভিহিত করা হতো। যেহেতু বাংলার আদি অধিবাসীরা ছিল অস্ট্রিক ভাষাভাষী, তাই তাদের 'নিষাদ' জাতির অন্তর্ভুক্ত বলা হয়। 'বাঙালি' একটি সংকর জাতি যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন জাতির মিশ্রণে গঠিত হয়েছে।
ক) আর্য
খ) মোঙ্গল
গ) পুণ্ড্র
ঘ) দ্রাবিড়
Note : অস্ট্রিকদের পর দ্রাবিড় সভ্যতা ও সংস্কৃতির ব্যাপক প্রভাব বাঙালি জনগোষ্ঠীর উপর পড়েছিল, বিশেষ করে আর্যদের আগমনের পূর্বে। পুণ্ড্র একটি জনপদের নাম, জাতিগোষ্ঠী নয়। আর্যদের প্রভাব থাকলেও তারা প্রধান অংশ নয়, বরং পরবর্তী আগন্তুক। মোঙ্গলীয় প্রভাব মূলত উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ। দ্বিতীয় প্রধান প্রভাব বিস্তারকারী গোষ্ঠী হিসেবে 'দ্রাবিড়' সঠিক উত্তর।
ক) নেগ্রিটো
খ) ভোটচীন
গ) দ্রাবিড়
ঘ) অস্ট্রিক
Note : ভাষাতাত্ত্বিক ও নৃবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলার আদিম অধিবাসীরা ছিল অস্ট্রিক (Austric) বা নিষাদ গোষ্ঠীর। আর্যদের আগমনের পূর্বে এই অস্ট্রিক ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীই বাংলায় বসবাস করত এবং এরাই বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি বা প্রধান অংশ গঠন করেছে। যদিও পরবর্তীতে দ্রাবিড়, ভোটচীন এবং আর্যদের সাথে সংমিশ্রণ ঘটেছে, মূল ভিত্তি অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীকেই ধরা হয়।
ক) ভাষার নাম
খ) জাতিগোষ্ঠীর নাম
গ) গ্রহপুঞ্জের নাম
ঘ) স্থানের নাম
Note : মূলত, 'আর্য' কোনো একক জাতিগোষ্ঠীর নাম নয়, বরং এটি একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর নাম। যারা এই ভাষায় কথা বলত, তাদের আর্য বলা হত। পরবর্তীতে শব্দটি জাতিগত পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করলেও এর মূল ভিত্তি ছিল ভাষাগত।
ক) ৬০৫ সালে
খ) ১১৪৫ সালে
গ) ১৩৪৫ সালে
ঘ) ১২৪৫ সালে
Note : বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ইবনে বতুতা আনুমানিক ১৩৪৫ থেকে ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বাংলাদেশ, বিশেষ করে সিলেট ও সোনারগাঁও অঞ্চল ভ্রমণ করেন।
জব সলুশন