ইবনে বতুতার গ্রন্থের নাম
ক) ইন্ডিকা
খ) অর্থশাস্ত্র
গ) রেহেলা
ঘ) তারিখ-ই-মুবারক শাহী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ইবনে বতুতার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীটির পুরো নাম 'তুহফাতুন নুজ্জার ফি গারাইবিল আমসার ওয়া আজাইবিল আসফার', যা সংক্ষেপে 'আল-রিহলা' বা 'রেহেলা' নামে পরিচিত। এর অর্থ হলো 'সফর' বা 'ভ্রমণ'।
Related Questions
ক) অতীশ দীপঙ্কর
খ) শীলভদ্র
গ) মাহুয়ান
ঘ) মেগাস্থিনিস
Note : সপ্তম শতাব্দীতে বিশ্ববিখ্যাত নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ বা আচার্য ছিলেন বাঙালি মনীষী শীলভদ্র। হিউয়েন সাং তার কাছেই বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন। শীলভদ্র ছিলেন হিউয়েন সাং-এর দীক্ষাগুরু।
ক) কামরূপ
খ) সমতট
গ) তাম্রলিপ্তি
ঘ) উপরের সবগুলো
Note : হিউয়েন সাং তার ভ্রমণকাহিনী 'সি-ইউ-কি'-তে বাংলার একাধিক জনপদের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি তৎকালীন পুণ্ড্রবর্ধন (উত্তরবঙ্গ), কর্ণসুবর্ণ (পশ্চিমবঙ্গ), সমতট (পূর্ববঙ্গ), তাম্রলিপ্তি (দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গ) এবং কামরূপ (আসাম সংলগ্ন) ভ্রমণ করেন।
ক) ফা-হিয়েন
খ) ইবনে বতুতা
গ) মার্কো পোলো
ঘ) হিউয়েন সাং
Note : মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে সোনারগাঁও সফর করেন এবং তৎকালীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। তিনি সোনারগাঁওয়ের ঐশ্বর্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ক) ৫৩৪ সালে
খ) ৬৩৪ সালে
গ) ৫৫০ সালে
ঘ) ৬৫৮ সালে
Note : হিউয়েন সাং আনুমানিক ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে ভারতে প্রবেশ করেন এবং ৬৩৪ থেকে ৬৪৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বাংলা অঞ্চলের বিভিন্ন জনপদ যেমন- পুণ্ড্রবর্ধন, সমতট, তাম্রলিপ্তি ও কর্ণসুবর্ণ ভ্রমণ করেন। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ৬৩৪ সাল সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।
ক) সম্রাট অশোক
খ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
গ) শশাঙ্ক
ঘ) হর্ষবর্ধন
Note : চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং উত্তর ভারতের পরাক্রমশালী শাসক হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে (৬০৬-৬৪৭ খ্রিষ্টাব্দ) ভারতবর্ষে আসেন। তিনি যখন বাংলায় আসেন, তখন এখানে রাজা শশাঙ্কের শাসন ছিল।
ক) চতুর্দশ
খ) সপ্তদশ
গ) অষ্টাদশ
ঘ) ত্রয়োদশ
Note : মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৫-৪৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় আসেন, যা ছিল চতুর্দশ শতক (14th century)। তিনি তার ভ্রমণকাহিনী 'রেহেলা'-তে বাংলার ঐশ্বর্যের বর্ণনা দেন।
জব সলুশন