তবকাত-ই-নাসিরী” রচনা করেন -
ক) মিনহাজ-ই-সিরাজ
খ) আবুল ফজল
গ) শাহ-মুহাম্মদ সগীর
ঘ) মির্জা নাথান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তবকাত-ই-নাসিরী' গ্রন্থটি পারসিক ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ কর্তৃক রচিত। এই গ্রন্থেই বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়ের সর্বপ্রথম বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
Related Questions
ক) খ্রি. পূর্ব ৩য় শতকে
খ) খ্রি. পূর্ব ৪র্থ শতকে
গ) খ্রি. পূর্ব ৫ম শতকে
ঘ) খ্রি. পূর্ব ১ম শতকে
Note : সুমা-কিয়েনকে (Sima Qian) চীনের হেরোডোটাস বা ইতিহাসের জনক বলা হয়। তিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে (১৪৫-৮৬ খ্রি.পূ.) তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'শিজি' (Shiji) রচনা করেন, যেখানে ভারতেরও উল্লেখ ছিল।
ক) তারিখ-ই-হামিদিয়া
খ) অর্থশাস্ত্র
গ) আইন-ই-আকবরী
ঘ) রামায়ণ
Note : আবুল ফজল তার 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' এবং 'বঙ্গাল' থেকে 'বাংলা' শব্দটির দেশবাচক বা প্রশাসনিক ব্যবহার করেন। তিনি 'সুবাহ-ই-বাঙ্গালা' শব্দটি ব্যবহার করেন, যা সমগ্র অঞ্চলকে বোঝাত।
ক) টোডরমল
খ) বীরবল
গ) আবুল ফজল
ঘ) তানসেন
Note : আইন-ই-আকবরী' হলো আবুল ফজল রচিত 'আকবরনামা' গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ড। এতে সম্রাট আকবরের সাম্রাজ্যের প্রশাসন, রাজস্ব ব্যবস্থা, ভূগোল এবং সংস্কৃতির বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
ক) উপন্যাস
খ) মহাকাব্য
গ) ঐতিহাসিক
ঘ) প্রবন্ধ
Note : গোলাম হোসেন সলিম জইদপুরি রচিত 'রিয়াজ-আস-সালাতিন' (Riyaz-us-Salatin) হলো বাংলার মুসলিম শাসনকালের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ। এটি একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
ক) আবুল ফজল
খ) জিয়াউদ্দীন বারানী
গ) আল বেরুনী
ঘ) মিনহাজ সিরাজ
Note : 'আকবরনামা' হলো মুঘল সম্রাট আকবরের সভাসদ এবং প্রধানমন্ত্রী আবুল ফজল ইবনে মুবারক কর্তৃক রচিত আকবরের রাজত্বকালের সরকারি ইতিহাস। 'আইন-ই-আকবরী' এই গ্রন্থের একটি অংশ।
ক) হযরত শাহ মখদুম
খ) হযরত শাহ পরাণ
গ) হযরত শাহ সুলতান মাহিসওয়ার
ঘ) হযরত শাহ জালাল
Note : ইবনে বতুতা তার ভ্রমণকাহিনীতে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তৎকালীন সিলেটে বসবাসকারী বিখ্যাত সুফি সাধক হযরত শাহ জালাল (রহ.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্যই মূলত বাংলায় এসেছিলেন।
জব সলুশন