আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হইল- বাক্যটিতে কোন ধরনের দোষ আছে?
ক) বাহুল্য দোষ
খ) উপমার ভুল প্রয়োগ
গ) বাগধারার দোষ
ঘ) গুরুচণ্ডালী দোষ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মন্দিরে সাধারণত বীজ বপন করা হয় না বরং ক্ষেত্রে বা জমিতে বপন করা হয়। তাই এটি উপমার ভুল প্রয়োগের একটি উদাহরণ।
Related Questions
ক) কর্মে শূন্য
খ) করণে শূন্য
গ) কর্মে সপ্তমী
ঘ) করণে সপ্তমী
Note : বাক্যের ক্রিয়াকে 'কাকে' বা 'কী' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্ম কারক। এখানে '(কাকে) ডাক'–এর উত্তর হলো 'ডাক্তার'। যেহেতু 'ডাক্তার' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
ক) সাথে সাথে
খ) দিনরাত্রি
গ) রাতারাতি
ঘ) শুনশান
Note : বিভক্তিযুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। এখানে 'সাথে সাথে' পদে 'এ' বিভক্তিযুক্ত 'সাথ' পদটি দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে। 'রাতারাতি' অব্যয়ের দ্বিরুক্তি এবং 'শুনশান' অনুকার দ্বিরুক্তি।
ক) ধ্বনিতত্ত্বে
খ) রূপতত্ত্বে
গ) বাক্যতত্ত্বে
ঘ) বর্ণতত্ত্বে
Note : শব্দ গঠন এবং পদের গঠন নিয়ে ব্যাকরণের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব বলে। সমাস যেহেতু নতুন শব্দ গঠন করে তাই এটি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
ক) অঙ্গন
খ) শশী
গ) সূক্ষ্ম
ঘ) ব্রহ্ম
Note : 'ব্রহ্ম' শব্দের সঠিক বানান হলো ব্রহ্ম (হ+ম যুক্ত)। প্রদত্ত বানানটি ভুল। অন্য শব্দগুলোর বানান সঠিক।
ক) ভাব
খ) ভাষা
গ) ধ্বনি
ঘ) বাক্য
Note : ব্যাকরণ হলো ভাষার নিয়মকানুন সংক্রান্ত শাস্ত্র। সুতরাং ভাষার গঠন প্রকৃতি ও প্রয়োগরীতি নিয়েই ব্যাকরণ আলোচনা করে। তাই ভাষার উপর ভিত্তি করেই ব্যাকরণ প্রতিষ্ঠিত। ভাষা না থাকলে ব্যাকরণের অস্তিত্ব থাকত না।
ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সমরেশ মজুমদার
Note : পুতুলনাচের ইতিকথা' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতা এবং মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা তুলে ধরে।
জব সলুশন