পেন্সিলের শিষে প্রধানত থাকে
ক) কার্বন ব্লেক
খ) লেড
গ) প্লাস্টিক
ঘ) গ্রাফাইট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পেন্সিলের শিষ বা 'লেড' নামটি বিভ্রান্তিকর, কারণ এতে কোনো লেড (সীসা) থাকে না। পেন্সিলের শিষ মূলত গ্রাফাইট (কার্বনের একটি রূপভেদ) এবং কাদামাটির মিশ্রণে তৈরি হয়। গ্রাফাইট নরম এবং লেখার সময় কাগজের ওপর এর স্তর জমা হয়।
Related Questions
ক) স্বর্ণ
খ) প্লাটিনাম
গ) সিলিকন
ঘ) কার্বন
Note : হীরক বা ডায়মন্ড হলো কার্বন (Carbon) মৌলের একটি বিশেষ রূপ বা বহুরূপ (Allotrope)। এটি কার্বনের পরমাণুগুলোর শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গঠিত এবং প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। স্বর্ণ, প্লাটিনাম ও সিলিকন ভিন্ন মৌল।
ক) কার্বন
খ) সোডিয়াম
গ) ক্যালসিয়াম
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
Note : যে সকল মৌল প্রকৃতিতে একাধিক ভৌত রূপে বিদ্যমান থাকে তাদের বহুরূপী মৌল বলে। কার্বন (C) একটি বহুরূপী মৌল, যার দুটি পরিচিত রূপ হলো হীরক ও গ্রাফাইট। সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়ামের এমন বহুরূপতা নেই।
ক) স্বর্ণ
খ) হীরক
গ) ইউরেনিয়াম
ঘ) প্লাটিনাম
Note : বহুরূপতা হলো কোনো মৌলের বিভিন্ন ভৌত রূপে অস্তিত্ব থাকার ক্ষমতা। হীরক (Diamond) এবং গ্রাফাইট হলো কার্বনের দুটি সুপরিচিত বহুরূপ। স্বর্ণ, ইউরেনিয়াম এবং প্লাটিনাম হলো ভিন্ন মৌলিক পদার্থ, কার্বনের রূপভেদ নয়।
ক) সালফার
খ) গ্রাফাইট
গ) ফসফরাস
ঘ) সিলিকন
Note : গ্রাফাইট কার্বনের একটি রূপভেদ এবং এটি অধাতু হওয়া সত্ত্বেও এর বিশেষ কাঠামোর কারণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকায় বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। সালফার, ফসফরাস এবং সিলিকন (অর্ধপরিবাহী) সাধারণ অবস্থায় গ্রাফাইটের মতো সুপরিবাহী নয়।
ক) Chloride
খ) Sodium
গ) Calcium
ঘ) Magnesium
Note : একটি Negative ion বা অ্যানায়ন তৈরি হয় যখন কোনো পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে। ক্লোরিন (Cl) একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড (Cl⁻) আয়নে পরিণত হয়, যা একটি নেগেটিভ আয়ন। অন্যদিকে, সোডিয়াম (Na), ক্যালসিয়াম (Ca) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) হলো ধাতু, যারা ইলেকট্রন ত্যাগ করে পজিটিভ আয়ন বা ক্যাটায়ন (Na⁺, Ca²⁺, Mg²⁺) গঠন করে।
ক) Gold
খ) Diamond
গ) Silver
ঘ) Copper
Note : গোল্ড (সোনা), সিলভার (রূপা) এবং কপার (তামা) হলো ধাতব মৌল। কিন্তু ডায়মন্ড (হীরক) হলো কার্বনের একটি রূপভেদ, এবং কার্বন একটি অধাতু। তাই ডায়মন্ড ধাতু নয়।
জব সলুশন