হাসপাতালে ব্যবহৃত অক্সিজেনে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?
ক) শতকরা ৯৫ ভাগ
খ) শতকরা ৯৩ ভাগ
গ) শতকরা ৮৮ ভাগ
ঘ) শতকরা ৯০ ভাগ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চিকিৎসাক্ষেত্রে রোগীদের জন্য যে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়, তাতে বিশুদ্ধ অক্সিজেন থাকে। তবে industriale grade এবং medical grade-এর মধ্যে বিশুদ্ধতার পার্থক্য থাকে। সাধারণত, মেডিকেল গ্রেড অক্সিজেনে কমপক্ষে ৯৩% (±৩%) বিশুদ্ধ অক্সিজেন থাকে।
Related Questions
ক) কাচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয়
খ) পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায়
গ) গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
ঘ) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
Note : মোমবাতির জ্বলন একটি দহন প্রক্রিয়া, যার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য। একটি গ্লাস দিয়ে ঢেকে দিলে, গ্লাসের ভেতরের সীমিত পরিমাণ অক্সিজেন অল্প সময়ের মধ্যেই দহনে ব্যবহৃত হয়ে শেষ হয়ে যায়। অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোমবাতিটি নিভে যায়।
ক) Galileo
খ) Joseph Priestly
গ) Niel Bohre
ঘ) Newton
Note : ১৭৭৪ সালে ইংরেজ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলি (Joseph Priestly) অক্সিজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন এবং এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেন। যদিও কার্ল ভিলহেলম শেলেও তার আগে অক্সিজেন আবিষ্কার করেছিলেন, কিন্তু প্রিস্টলি তার আবিষ্কার আগে প্রকাশ করেন।
ক) নাইট্রোজেন
খ) অক্সিজেন
গ) হাইড্রোজেন
ঘ) সালফিউরিক এসিড
Note : 'অম্লজান' হলো অক্সিজেন (Oxygen) গ্যাসের বাংলা পরিভাষা। বিজ্ঞানী ল্যাভয়সিয়ে প্রথমে ধারণা করেছিলেন যে সকল অম্ল বা এসিডের মধ্যে অক্সিজেন থাকে, এবং এই ধারণা থেকে তিনি 'অক্সিজেন' (অর্থ: অম্ল উৎপাদক) নামটি দেন। যদিও ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়, নামটি প্রচলিত হয়ে গেছে।
ক) হাইড্রোজেন ও কার্বন মনোক্সাইড
খ) হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
গ) হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের
ঘ) হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
Note : ওয়াটার গ্যাস বা জলীয় গ্যাস হলো মূলত দুটি গ্যাসের মিশ্রণ: হাইড্রোজেন (H₂) এবং কার্বন মনোক্সাইড (CO)। এর রাসায়নিক সংকেত হিসেবে (CO + H₂) লেখা হয়।
ক) থারমিট
খ) ওয়াটার গ্যাস
গ) নেসলার দ্রবণ
ঘ) রাজঅম্ল
Note : হাইড্রোজেন (H₂) এবং কার্বন মনোক্সাইড (CO) গ্যাসের সমআয়তন মিশ্রণকে ওয়াটার গ্যাস বা জলীয় গ্যাস বলা হয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প জ্বালানি যা লোহিত তপ্ত কোক বা কার্বনের ওপর দিয়ে স্টিম চালনা করে তৈরি করা হয়।
ক) সোডা ওয়াটার
খ) মিল্ক অব লাইম
গ) ওয়াটার গ্যাস
ঘ) মার্ক পারহাইড্রল
Note : পানিতে যখন কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) গ্যাস দ্রবীভূত করা হয়, তখন তাকে সোডা ওয়াটার বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মৃদু কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) তৈরি হয়, যা কোমল পানীয়ের মূল উপাদান। মিল্ক অব লাইম হলো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের দ্রবণ।
জব সলুশন