ওলিয়াম কাকে বলে? -
ক) গাঢ় সালফিউরিক এসিডকে
খ) ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে
গ) মধ্যম গাঢ় সালফিউরিক এসিডকে
ঘ) লঘু সালফিউরিক এসিডকে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ওলিয়াম (Oleum) বা ধূমায়মান সালফিউরিক এসিড হলো সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO₃) গ্যাসের একটি দ্রবণ যা গাঢ় সালফিউরিক এসিডের (H₂SO₄) মধ্যে তৈরি করা হয়। এর সংকেত H₂S₂O₇। এটি থেকে ধোঁয়া নির্গত হয় বলে একে 'ধূমায়মান সালফিউরিক এসিড' বলা হয়।
Related Questions
ক) 2
খ) 7
গ) 7
ঘ) 8
Note : সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো H₂SO₄। এর একটি অণুতে হাইড্রোজেন (H) পরমাণু আছে ২টি, সালফার (S) পরমাণু আছে ১টি এবং অক্সিজেন (O) পরমাণু আছে ৪টি। সুতরাং, মোট পরমাণুর সংখ্যা = ২ + ১ + ৪ = ৭টি।
ক) কাচচূর্ণ মিশ্রিত ফসফরাস
খ) গ্রাফাইট
গ) গন্ধক
ঘ) হীরক
Note : দেয়াশলাই বাক্সের দুই পাশে যে খসখসে পৃষ্ঠ থাকে, সেখানে মূলত লাল ফসফরাস, কাচের গুঁড়া (ঘর্ষণ বাড়ানোর জন্য) এবং আঠার মিশ্রণ লাগানো থাকে। দিয়াশলাইয়ের কাঠি এই পৃষ্ঠে ঘষা লাগলে তাপ উৎপন্ন হয়, যা লাল ফসফরাসকে প্রজ্বলিত করে এবং কাঠির মাথার মূল দাহ্য পদার্থে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ক) জিং ও বেরিয়াম লবণ
খ) ক্যালসিয়াম সিলিকেট
গ) পটাসিয়াম সিলিকেট
ঘ) সবকটিই
Note : দিয়াশলাই কাঠির মাথায় সাধারণত পটাশিয়াম ক্লোরেট, সালফার, আঠা, কাঁচের গুঁড়া ইত্যাদি থাকে। বাক্সের পাশে থাকে লাল ফসফরাস। জিংক, বেরিয়াম লবণ বা ক্যালসিয়াম/পটাসিয়াম সিলিকেট সাধারণত এর উপাদান নয়। সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই দিয়াশলাই কাঠিতে থাকে না।
ক) লোহিত ফসফরাস
খ) শ্বেত ফসফরাস
গ) কয়লা
ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
Note : দিয়াশলাইয়ের কাঠির মাথায় যে দাহ্য পদার্থ থাকে, তার মূল উপাদান হলো পটাশিয়াম ক্লোরেট, সালফার এবং আঠা। আর দিয়াশলাই বাক্সের পাশে ঘর্ষণের জন্য যে অংশ থাকে, সেখানে লাল বা লোহিত ফসফরাস (Red Phosphorus) ব্যবহার করা হয়। তবে অনেক সময় কাঠির মাথায়ও এর মিশ্রণ থাকে।
ক) Water of pond
খ) Water of Lake
গ) Water of River
ঘ) Water of Low Lands
Note : প্রবহমান পানিতে (যেমন নদীর পানি) স্থির পানির (যেমন পুকুর বা হ্রদ) চেয়ে সাধারণত দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। কারণ নদীর স্রোত এবং পানির আলোড়ন বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেনকে পানিতে আরও ভালোভাবে মিশ্রিত হতে সাহায্য করে। হ্রদের চেয়ে নদীর পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা বেশি থাকে।
জব সলুশন