পানীয় জলে সচরাচর সবচেয়ে বেশী disinfectant (জীবাণু ধ্বংসকারক) ব্যবহার করা হয়
ক) ফিটকিরি
খ) নাইট্রোজেন
গ) চুন
ঘ) ক্লোরিন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পানীয় জলকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত রাসায়নিক হলো ক্লোরিন (Chlorine)। ক্লোরিনেশন প্রক্রিয়ায় পানিতে ক্লোরিন যোগ করা হয়, যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীবকে ধ্বংস করে পানিকে পানের জন্য নিরাপদ করে তোলে। ফিটকিরি পানি পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হলেও এটি মূলত ভাসমান ময়লা থিতিয়ে ফেলতে সাহায্য করে, জীবাণুনাশক হিসেবে নয়।
Related Questions
ক) লাইকেনে
খ) মিউকরে
গ) এগারিকাসে
ঘ) শৈবালে
Note : আয়োডিন প্রধানত সামুদ্রিক উৎস থেকে পাওয়া যায়। সামুদ্রিক শৈবাল (Seaweed), যেমন কেল্প, তাদের দেহের মধ্যে সমুদ্রের পানি থেকে আয়োডিন শোষণ ও সঞ্চয় করে। তাই সামুদ্রিক শৈবাল আয়োডিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উৎস।
ক) সালফার
খ) নাইট্রোজেন
গ) অক্সিজেন
ঘ) আয়োডিন
Note : হ্যালোজেন হলো পর্যায় সারণীর গ্রুপ ১৭-এর মৌলসমূহ। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I) এবং অ্যাস্টাটিন (At)। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে আয়োডিন একটি হ্যালোজেন। সালফার, নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন ভিন্ন গ্রুপের মৌল।
ক) নন তেজষ্ক্রিয়
খ) হ্যালো তেজষ্ক্রিয়
গ) কঠিন
ঘ) তেজষ্ক্রিয়
Note : রেডন (Radon) একটি তেজষ্ক্রিয় (Radioactive) রাসায়নিক মৌল। এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এর সকল আইসোটোপই তেজস্ক্রিয়, অর্থাৎ অস্থিতিশীল এবং সময়ের সাথে সাথে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অন্য মৌলে পরিণত হয়।
ক) রেডন
খ) জেনন
গ) নিয়ন
ঘ) আর্গন
Note : ১৯০০ সালে জার্মান বিজ্ঞানী ফ্রিডরিখ আর্নস্ট ডর্ন (Friedrich Ernst Dorn) আবিষ্কার করেন যে তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়ামের (Radium) ক্ষয়ের ফলে একটি নতুন তেজস্ক্রিয় গ্যাস নির্গত হয়। তিনি এই গ্যাসের নাম দেন রেডন (Radon, Rn)।
ক) He
খ) Ne
গ) Xe
ঘ) Ar
Note : ফটোগ্রাফিক ফ্লাশ লাইটের বাল্বে জেনন (Xenon, Xe) গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এই গ্যাসের মধ্যে দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ চালনা করলে এটি অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং সূর্যের আলোর মতো সাদা আলো তৈরি করে, যা স্বল্প সময়ের জন্য ছবি তোলার জন্য আদর্শ।
ক) হিলিয়াম সহজলভ্য
খ) হিলিয়াম গ্যাসের দাম কম
গ) হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
ঘ) উপরের সবকটিই
Note : হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা গ্যাস হলেও এটি অত্যন্ত দাহ্য এবং বিস্ফোরক। অন্যদিকে, হিলিয়াম হাইড্রোজেনের চেয়ে সামান্য ভারী হলেও এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, অর্থাৎ এটি জ্বলে না বা বিক্রিয়া করে না। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে যাত্রী বহনকারী বেলুন বা এয়ারশিপে দাহ্য হাইড্রোজেনের পরিবর্তে নিরাপদ ও নিষ্ক্রিয় হিলিয়াম গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
জব সলুশন