আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার-
ক) গতিবেগ
খ) বিস্তার
গ) তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ঘ) কোনোটিই নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
আলোর বর্ণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে। দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য আমাদের চোখে বিভিন্ন রঙের অনুভূতি সৃষ্টি করে। যেমন, লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম।
Related Questions
ক) সমান নয়
খ) বেতার তরঙ্গের গতি বেশি
গ) আলোর গতি বেশি
ঘ) সমান
Note : আলো এবং বেতার তরঙ্গ (Radio Wave) উভয়ই তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। শূন্যস্থানে সকল প্রকার তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের গতি সমান, যা আলোর গতির সমান (প্রায় ৩ × ১০৮ মি/সে)।
ক) তাপ
খ) আলোক
গ) তড়িৎ
ঘ) চুম্বক
Note : পরমাণুর ইলেকট্রন শক্তি শোষণ করে উচ্চ শক্তিস্তরে যায় এবং নিম্ন শক্তিস্তরে ফিরে আসার সময় শোষিত শক্তিকে তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ হিসেবে ছেড়ে দেয়। এই বিকিরণ দৃশ্যমান পরিসরে হলে আমরা আলোক শক্তি বা আলো দেখতে পাই।
ক) বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
খ) যান্ত্রিক তরঙ্গ
গ) তাড়িত তরঙ্গ
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : আলো হলো এক প্রকার শক্তি যা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (Electromagnetic Wave) আকারে সঞ্চালিত হয়। একে সংক্ষেপে 'তাড়িত তরঙ্গ' বা তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বলা হয়। এর জন্য কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
ক) মেকানিক্যাল রশ্মি
খ) তাড়িৎ চুম্বকীয় রশ্মি
গ) তড়িৎ চুম্বকীয় রশ্মি নয়
ঘ) ওপরের কোনোটিই সত্যি নয়
Note : গামা রশ্মি হলো উচ্চ শক্তিসম্পন্ন ফোটনের প্রবাহ। এটি তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর অংশ এবং এক প্রকার তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ। এর চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
ক) গামা
খ) অবলোহিত
গ) অতিবেগুনি
ঘ) এক্সরে
Note : কম্পাঙ্কের ক্রম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমের ঠিক বিপরীত। যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, তার কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অবলোহিত (Infrared) রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, তাই এর কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম।
ক) Gamma Rays
খ) Light waves
গ) Micro waves
ঘ) Radio waves
Note : তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের ক্ষেত্রে, তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, কম্পাঙ্ক ও শক্তি তত বেশি হয়। গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তাই এর কম্পাঙ্ক (Frequency) এবং শক্তি সর্বোচ্চ।
জব সলুশন