বিপদ সংকেতের জন্য লাল আলো ব্যবহৃত হয় কেন?
ক) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক
খ) লাল আলোর গতি কম
গ) লাল আলোর উৎপাদন খরচ কম
ঘ) লাল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর মধ্যে সর্বাধিক। এর ফলে বায়ুকণা বা কুয়াশার মধ্যে এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম হয়। তাই লাল আলো অনেক দূর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়, যা বিপদ সংকেতের জন্য জরুরি।
Related Questions
ক) তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
খ) প্রতিসরণ বেশি
গ) কম্পাঙ্ক বেশি
ঘ) তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম
Note : সূর্যাস্তের সময় সূর্যরশ্মিকে বায়ুমণ্ডলের পুরু স্তর ভেদ করে আসতে হয়। এসময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (নীল, বেগুনি) আলো বেশি বিক্ষেপিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল আলো কম বিক্ষেপিত হয়ে সরাসরি আমাদের চোখে এসে পৌঁছায়। তাই সূর্যকে লাল দেখায়।
ক) White
খ) Red
গ) Black
ঘ) Yellow
Note : লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের কণা দ্বারা এর বিক্ষেপণ (scattering) সবচেয়ে কম হয়। ফলে এটি অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। একারণেই বিপদ সংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়।
ক) লাল
খ) সবুজ
গ) নীল
ঘ) বেগুনি
Note : দৃশ্যমান বর্ণালীর সাতটি রঙের মধ্যে বেগুনি (Violet) আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম (ছোট থেকে বড়): বেগুনি < নীল < আসমানি < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
ক) নীল
খ) সবুজ
গ) লাল
ঘ) বেগুনি
Note : দৃশ্যমান বর্ণালীর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৬২০-৭৫০ nm) এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম (প্রায় ৩৮০-৪৫০ nm)।
ক) বোর,১৯৬৩
খ) রাদারফোর্ড,১৯১৯
গ) হাইগ্যান,১৯৬১
ঘ) মাইম্যান,১৯৬০
Note : থিওডোর মাইম্যান (Theodore Maiman) ১৯৬০ সালে হিউজেস রিসার্চ ল্যাবরেটরিজে প্রথম কার্যকরী লেজার তৈরি করেন। তাই তাকে লেজারের আবিষ্কারক হিসেবে গণ্য করা হয়।
ক) Stimulated Emission of Radio waves
খ) Stimulated Emission of Radiation
গ) Spontaneous Emission of Radio waves
ঘ) Spontaneous Emission of Radiation
Note : LASER এর পূর্ণরূপ হলো Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation (বিকিরণের উদ্দীপিত নিঃসরণের দ্বারা আলোক বিবর্ধন)। এটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি সুসংগত ও একরঙা আলোক রশ্মি।
জব সলুশন