আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
ক) ধূলিকণা
খ) বায়ুস্তর
গ) বৃষ্টির কণা
ঘ) অতিবেগুনি রশ্মি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রংধনু সৃষ্টির জন্য দুটি প্রধান উপাদান প্রয়োজন: সূর্যের আলো এবং বাতাসে ভাসমান পানির কণা (যেমন বৃষ্টির কণা বা কুয়াশা)। এই পানির কণাগুলোই সূর্যরলোকে বিচ্ছুরিত করে রংধনু তৈরি করে।
Related Questions
ক) দর্পণের কাজ করে
খ) আতসী কাচের কাজ করে
গ) লেন্সের কাজ করে
ঘ) প্রিজমের কাজ করে
Note : বৃষ্টির পর বাতাসে ভেসে থাকা পানির কণাগুলো ছোট ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্যরশ্মি এই পানির কণার মধ্যে প্রবেশ করার সময় প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফলে বিচ্ছুরিত হয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায় এবং রংধনু সৃষ্টি করে।
ক) Violate
খ) Magenta
গ) Indigo
ঘ) Orange
Note : রংধনুর সাতটি রঙ হলো Violet (বেগুনি), Indigo (নীল), Blue (আসমানি), Green (সবুজ), Yellow (হলুদ), Orange (কমলা) এবং Red (লাল)। ম্যাজেন্টা (Magenta) এই সাতটি মূল রঙের মধ্যে পড়ে না। এটি একটি যৌগিক রঙ।
ক) নীল ও কমলা
খ) সবুজ ও লাল
গ) বেগুনি ও লাল
ঘ) সবুজ ও কমলা
Note : রংধনুর সাতটি রঙের ক্রম (বেনীআসহকলা) অনুযায়ী, হলুদের আগের রঙটি হলো সবুজ এবং পরের রঙটি হলো কমলা। সুতরাং, হলুদের দুই পাশে সবুজ ও কমলা রঙ থাকে।
ক) নীল
খ) লাল
গ) হলুদ
ঘ) সবুজ
Note : রংধনুর সাতটি রঙের ক্রম হলো: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল (বেনীআসহকলা)। এই ক্রমে ঠিক মাঝখানে বা মধ্যম অবস্থানে রয়েছে সবুজ রঙ।
ক) ৫টি
খ) ৬টি
গ) ৭টি
ঘ) ৮টি
Note : রংধনু হলো সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণের প্রাকৃতিক উদাহরণ। বৃষ্টির কণা প্রিজমের মতো কাজ করে এবং সাদা আলোকে তার সাতটি মূল উপাদান বর্ণে (বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল) ভেঙে দেয়।
ক) লাল ও সবুজের সমন্বয়ে
খ) লাল ও নীল রঙের সমন্বয়ে
গ) বেগুনি ও নীল রঙের সমন্বয়ে
ঘ) সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য
Note : কোনো বস্তু যখন তার ওপর আপতিত আলোর সকল বর্ণ শোষণ করে নেয় এবং কোনো বর্ণই প্রতিফলিত করে না, তখন বস্তুটিকে কালো দেখায়। অর্থাৎ, কালো হলো আলোর অনুপস্থিতি।
জব সলুশন