চোখের কোন অঙ্গ আলোক শক্তিকে তড়িৎ সংকেতে পরিণত করে?
ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
খ) পিউপিল
গ) কর্নিয়া
ঘ) রেটিনা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রেটিনায় অবস্থিত রড (Rod) এবং কোণ (Cone) নামক আলোকসংবেদী কোষগুলো আপতিত আলোক শক্তিকে রাসায়নিক ও পরে তড়িৎ সংকেতে (nerve impulse) রূপান্তরিত করে। এই সংকেত মস্তিষ্ক গ্রহণ করে এবং দর্শনের অনুভূতি তৈরি হয়।
Related Questions
ক) পিউপিল
খ) আইরিশ
গ) রেটিনা
ঘ) অন্ধবিন্দু
Note : রেটিনা হলো চোখের পেছনের একটি আলোক-সংবেদী স্তর যেখানে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এতে থাকা রড ও কোন কোষ আলোক শক্তিকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়।
ক) উভ উত্তল / দ্বি উত্তল
খ) অবতল
গ) উভ অবতল
ঘ) উত্তল
Note : মানুষের চোখের লেন্সটি একটি উভোত্তল বা দ্বি-উত্তল (Biconvex) লেন্সের মতো কাজ করে। এটি নমনীয় এবং সিলিয়ারি পেশীর সাহায্যে এর ফোকাস দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে কাছের ও দূরের বস্তু দেখতে সাহায্য করে।
ক) প্রতিফলন
খ) প্রতিসরণ
গ) বিক্ষেপণ
ঘ) এর কোনোটিই নয়
Note : সূর্যাস্তের পরেও কিছুক্ষণের জন্য আকাশে যে ক্ষীণ আলো থাকে, তাকে গোধূলি বলে। এটি ঘটে কারণ সূর্য দিগন্তের নিচে চলে গেলেও এর আলোকরশ্মি বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরের কণা দ্বারা বিক্ষেপিত হয়ে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।
ক) নীল
খ) সবুজ
গ) হলুদ
ঘ) কালো
Note : মহাকাশে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। বায়ুমণ্ডল না থাকায় সেখানে সূর্যরশ্মির বিক্ষেপণ ঘটে না। আলোর বিক্ষেপণ না হওয়ার কারণে মহাকাশ এবং সেখান থেকে দেখা আকাশকে সম্পূর্ণ কালো দেখায়।
ক) বিক্ষেপণ
খ) প্রতিফলন
গ) প্রতিসরণ
ঘ) শোষণ
Note : সমুদ্রের পানি সূর্যরশ্মির অন্য বর্ণগুলো শোষণ করে নেয় কিন্তু নীল বর্ণের আলোকে বেশি বিক্ষেপিত (scatter) করে। এই বিক্ষেপিত নীল আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছানোর কারণে সমুদ্রের পানিকে নীল দেখায়। এটি মূলত আলোর বিক্ষেপণ জনিত ঘটনা।
ক) নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
খ) নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
গ) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
ঘ) নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
Note : সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আসার সময় বায়ুর অণু ও ধূলিকণার দ্বারা বিক্ষেপিত হয়। র্যালের বিক্ষেপণ সূত্র অনুযায়ী, যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটি লাল আলোর চেয়ে বেশি বিক্ষেপিত হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাই আকাশকে নীল দেখায়।
জব সলুশন