মরিচার একটি গ্রহণযোগ্য সূত্র হলো-
ক) Fe₂O₃. H₂O
খ) FeO₃. H₂O₂
গ) Fe₃O₂. 5H₂O
ঘ) Fe₂O₃. nH₂O
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মরিচা হলো আর্দ্র আয়রন (III) অক্সাইড। এর কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত নেই কারণ এতে পানির অণুর সংখ্যা পরিবর্তনশীল। তাই এর সাধারণ সংকেত হিসেবে Fe₂O₃·nH₂O লেখা হয়, যেখানে 'n' পানির অণুর সংখ্যা নির্দেশ করে।
Related Questions
ক) পানি
খ) অক্সিজেন
গ) কেরোসিন
ঘ) পানি ও অক্সিজেন
Note : লোহায় মরিচা পড়া একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার জন্য লোহাকে অবশ্যই পানি (জলীয় বাষ্প) এবং বায়ুর অক্সিজেন উভয়ের সংস্পর্শে আসতে হয়। যেকোনো একটির অনুপস্থিতিতে মরিচা ধরে না।
ক) সাবান
খ) ইউরিয়া
গ) ইস্পাত
ঘ) পেট্রোল
Note : বেসিমার পদ্ধতি (Bessemer process) ছিল বাণিজ্যিকভাবে বিপুল পরিমাণে ইস্পাত উৎপাদনের প্রথম সস্তা শিল্প প্রক্রিয়া। এই পদ্ধতিতে গলিত পিগ আয়রনের মধ্য দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করে কার্বন ও অন্যান্য অপদ্রব্য দূর করা হয়।
ক) সোডিয়াম
খ) ডুরালুমিন
গ) ম্যাগনেসিয়াম
ঘ) ক্যালসিয়াম
Note : সোডিয়াম (Na) এবং পটাসিয়াম (K) উভয়ই ক্ষার ধাতু এবং এদের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম। তাই এরা উভয়ই পানিতে ভাসে। প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ক ও খ উভয়ই সঠিক।
ক) সোনা
খ) কালোসোনা
গ) রূপা
ঘ) প্লাটিনাম
Note : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিতে প্রাপ্ত জিরকন, মোনাজাইট, ইলমেনাইট, রুটাইল, ম্যাগনেটাইট ইত্যাদি ভারী খনিজের মিশ্রণকে 'কালোসোনা' বা Black Gold বলা হয়। এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক।
ক) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
খ) সিলভার ক্লোরাইড
গ) ম্যাগনেসিয়াম সালফেট
ঘ) জিঙ্ক নাইট্রেট
Note : 'এপসম লবণ' (Epsom Salt) এর রাসায়নিক নাম হলো হাইড্রেটেড ম্যাগনেসিয়াম সালফেট। এর রাসায়নিক সংকেত MgSO₄·7H₂O। এটি চিকিৎসা ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
ক) সরিষার তেল
খ) পারদ
গ) নারিকেল তেল
ঘ) পানি
Note : পারদ (Mercury) সবচেয়ে ভারী বা ঘন তরল। এর ঘনত্ব পানির চেয়ে প্রায় ১৩.৬ গুণ বেশি। অন্য তরলগুলো (তেল, পানি) পারদের চেয়ে অনেক হালকা।
জব সলুশন