১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরষ্কার পেয়েছেন-

ক) হুমায়ূন আজাদ
খ) আহমদ রফিক
গ) ওয়াকিল আহমদ
ঘ) আবদুল মতিন খান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ওয়াকিল আহমেদ প্রাপ্ত সম্মাননা

আবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - (১৯৮০)

ইতিহাস পরিষদ পদক, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ, ঢাকা - (১৯৮৬)

মনিরুদ্দীন পদক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় - (১৯৬০)

বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার - (১৯৯৪)

মুহম্মদ ইব্রাহিম স্মারক স্বর্ণপদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা - (১৯৯৪)

আচার্য দীনেশচন্দ্র সেন স্বর্ণপদক, কলকাতা (২০০২)

একুশে পদক - (২০০৪)

Related Questions

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
গ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ) নির্মেলেন্দু গুণ
Note :

"মধুরচেয়ে আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি" – কবিতার এই অংশবিশেষের রচয়িতা হলেন সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (Satyendranath Dutta)। এই অংশটি তাঁর "দেশের মাটি" (Desher Mati) নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

ক) লালন শাহ্
খ) সিরাজ সাঁই
গ) মদন বাউল
ঘ) পাগলা কানাই
Note :

লালন (জন্ম: ১৭৭২ খ্রি. - মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০ খ্রি.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।

ক) মুকুন্দুরাম চক্রবর্তী
খ) ভরতচন্দ্র রায়
গ) মদনমোহন তর্কালংকার
ঘ) কামিনী রায়
Note :

“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত আন্নদামঙ্গল কাব্যের অমর এই উক্তি তথা প্রার্থনাটি করেছে ঈশ্বরী পাটনী। যখন দেবী অন্নদা তার খেয়া নৌকায় নদী পার হয়ে বর চাইতে বলে ঈশ্বরী পাটনীকে, তখন ঈশ্বরী পাটনি এই প্রার্থনাটি করে।

ক) তালিম হোসেন
খ) ফররুখ আহমদ
গ) গোলাম মোস্থফা
ঘ) আবুল হোসেন
Note :

সিরাজাম মুনিরা - কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররুখ আহমদ। ইসলামী রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সিরাজাম মুনিরা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে ঢাকায়। তার পরপ্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ " সাত সাগরের মাঝি" প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে কলকাতা থেকে। এ কাব্যটি প্রকাশের মধ্য দিয়েই তিনি কবি খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন।

ক) স্বরবৃত্ত
খ) পয়ার
গ) মাত্রাবৃত্ত
ঘ) অক্ষরবৃত্ত
Note :

স্বরবৃত্ত ছন্দ বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। স্বরবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চার মাত্রার চালে চলতে পছন্দ করে। প্রধানত ছড়া এবং গান লিখতেই এই ছন্দ সচরাচর ব্যবহৃত হয়। এই ছন্দের বৈশিষ্ট্য-
-স্বরবৃত্তের মূল বিষয়টিই আবর্তিত হয় দুটি সিলেবল বা দলকে (মুক্ত ও বদ্ধ দল) ঘিরে।
-স্বরবৃত্ত দ্রুত লয়ের ছন্দ।
-এই ছন্দের মূলপর্ব বা পূর্ণপর্ব চার মাত্রাবিশিষ্ট।
-মুক্তদল বা মুক্তাক্ষর এবং রুদ্ধদল বা বদ্ধাক্ষর উভয়ই একমাত্রাবিশিষ্ট।
-পর্বগুলো ছোট এবং দ্রুতলয়বিশিষ্ট। -এই ছন্দে যতি এবং দল ঘন ঘন পড়ে বলে বাগযন্ত্র দ্রুততা লাভ করে।
-প্রতি পর্বের প্রথম অক্ষর শ্বাসাঘাতযুক্ত।
-এই ছন্দের প্রয়োজনে ৫ মাত্রাকে সংবৃত উচ্চারণে ৪ মাত্রার মত আবৃত্তি করা যায়, আবার কোথাও এক মাত্রা কম থাকলে বিবৃত উচ্চারণ করে এক মাত্রাকে দুই মাত্রায় টেনে নেয়া যায়।

ক) ১৮৪১ সালে
খ) ১৮৪২ সালে
গ) ১৮৫০ সালে
ঘ) ১৮৪৩ সালে
Note :

‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৪৩ সালে
এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়রামমোহন রায় এর চিন্তাধারার সাথে যুক্ত এবং নারী শিক্ষা ও সামাজিক জাগরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন