কোনো কোনো কঠিন পদার্থ উত্তপ্ত করলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় -
ক) গলন
খ) ঊর্ধ্বপাতন
গ) বাষ্পীভবন
ঘ) রাসায়নিক পরিবর্তন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তা তরল অবস্থায় রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি বাষ্প বা গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়, তাকে 'ঊর্ধ্বপাতন' (Sublimation) বলে। কর্পূর, ন্যাপথালিন, নিশাদল ইত্যাদি এই ধর্ম প্রদর্শন করে।
Related Questions
ক) 100° Centigrade
খ) 0º Centigrade
গ) 1000° Centigrade
ঘ) 105° Centigrade
Note : স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে (1 atm) বিশুদ্ধ পানির স্ফুটনাঙ্ক হলো ১০০° সেলসিয়াস বা ২১.২° ফারেনহাইট। এই তাপমাত্রায় পানি তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় (জলীয় বাষ্প) রূপান্তরিত হতে শুরু করে।
ক) ডেমোক্রিটাস
খ) হেরোক্লিটাস
গ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
ঘ) আইনস্টাইন
Note : গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস সর্বপ্রথম প্রস্তাব করেন যে, সকল পদার্থ অতি ক্ষুদ্র ও অবিভাজ্য কণা দ্বারা গঠিত, যার নাম তিনি দেন 'অ্যাটমস' (atomos), যার অর্থ 'অবিভাজ্য'। এই ধারণা থেকেই 'পরমাণু' শব্দের উৎপত্তি।
ক) 2
খ) 5
গ) 7
ঘ) 8
Note : সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো H₂SO₄। এখানে ২টি হাইড্রোজেন (H) ১টি সালফার (S) এবং ৪টি অক্সিজেন (O) পরমাণু রয়েছে। সুতরাং মোট পরমাণুর সংখ্যা ২+১+৪ = ৭টি
ক) অণু
খ) পরমাণু
গ) ইলেকট্রন
ঘ) প্রোটন
Note : পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের সেই ক্ষুদ্রতম কণা যা ওই মৌলের সমস্ত ধর্ম বজায় রাখে এবং সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। অণু একাধিক পরমাণু নিয়ে গঠিত এবং ইলেকট্রন ও প্রোটন হলো পরমাণুর গাঠনিক উপাদান
ক) ইলেক্ট্রন ও প্রোটন
খ) নিউট্রন ও প্রোটন
গ) নিউট্রন ও পজিট্রন
ঘ) ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন
Note : পরমাণুর কেন্দ্র যা নিউক্লিয়াস নামে পরিচিত তা দুটি মূল কণিকা দ্বারা গঠিত: ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং চার্জবিহীন নিউট্রন। ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে। তাই সঠিক উত্তর নিউট্রন ও প্রোটন
ক) 2
খ) 8
গ) 18
ঘ) 32
Note : বোর-বারি নীতি অনুসারে কোনো কক্ষপথে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা 2n² সূত্র দ্বারা নির্ধারিত হয় যেখানে n হলো কক্ষপথের নম্বর। দ্বিতীয় কক্ষপথের জন্য n=2 হওয়ায় সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা হবে 2*(2)² = 8টি। তাই সঠিক উত্তর '৮'
জব সলুশন