আলো কি?
ক) পদার্থ
খ) শক্তি
গ) বস্তু
ঘ) বল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পদার্থবিজ্ঞানে, 'আলো' হলো এক প্রকার তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ যা শক্তি বহন করে। এটি কণা (ফোটন) এবং তরঙ্গ উভয় ধর্মই প্রদর্শন করে, কিন্তু এর কোনো স্থির ভর না থাকায় একে পদার্থ বলা হয় না। এটি এক প্রকার শক্তি।
Related Questions
ক) পদার্থ
খ) আলো
গ) বল
ঘ) শক্তি
Note : তাপ পদার্থের অণুগুলোর সম্মিলিত গতিশক্তির একটি প্রকাশ এবং এটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুযায়ী, 'তাপ' এক প্রকার শক্তি যা উচ্চ তাপমাত্রার বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রার বস্তুতে সঞ্চালিত হয়। এটি কোনো পদার্থ, বল বা আলো নয়।
ক) তাপ
খ) শক্তি
গ) লবণ
ঘ) আলো
Note : তাপ, শক্তি ও আলো হলো শক্তির রূপ, পদার্থ নয়। 'লবণ' (সোডিয়াম ক্লোরাইড) একটি অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পদার্থ যা দেহের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম, যেমন স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক পরিচালনা ও তরলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অপরিহার্য।
ক) বাতাস
খ) বিদ্যুৎ
গ) তাপ
ঘ) আলো
Note : 'বাতাস' হলো বিভিন্ন গ্যাসের (নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ইত্যাদি) মিশ্রণ, যার ভর আছে এবং যা স্থান দখল করে। তাই বাতাস একটি পদার্থ। অন্যদিকে বিদ্যুৎ, তাপ এবং আলো হলো শক্তির বিভিন্ন রূপ, পদার্থ নয়।
ক) আলো
খ) অক্সিজেন
গ) নাইট্রোজেন
ঘ) পানি
Note : পদার্থ বলতে বোঝায় যার নির্দিষ্ট ভর আছে এবং যা স্থান দখল করে। অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং পানি—এই তিনটিই পদার্থ। কিন্তু 'আলো' হলো এক প্রকার শক্তি (তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ), যার কোনো স্থির ভর নেই এবং এটি পদার্থ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
ক) সোনা
খ) রূপা
গ) তামা
ঘ) ইস্পাত
Note : 'ইস্পাত' হলো লোহা এবং কার্বনের একটি মিশ্রণ বা সংকর ধাতু, এটি কোনো একক মৌল নয়। অপরপক্ষে সোনা (Au), রূপা (Ag), এবং তামা (Cu) প্রত্যেকেই পর্যায় সারণির অন্তর্ভুক্ত মৌলিক পদার্থ।
ক) লোহা
খ) ব্রোঞ্জ
গ) পানি
ঘ) ইস্পাত
Note : লোহা' (Fe) একটি রাসায়নিক মৌল, যা পর্যায় সারণিতে স্থান পেয়েছে। তাই এটি একটি মৌলিক পদার্থ। 'ব্রোঞ্জ' (তামা ও টিনের সংকর), 'ইস্পাত' (লোহা ও কার্বনের সংকর) হলো সংকর ধাতু বা মিশ্র পদার্থ এবং 'পানি' (H₂O) একটি যৌগিক পদার্থ।
জব সলুশন