১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
ক) 8
খ) 9
গ) 10
ঘ) 11
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১৯৬৫ সালের পূর্বে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ১১ জন। এর মধ্যে ৫ জন স্থায়ী ও ৬ জন অস্থায়ী সদস্য ছিল। ১৯৬৫ সালে সনদের সংশোধনের মাধ্যমে অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ করা হয় ফলে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জনে উন্নীত হয়।
Related Questions
ক) হল্যান্ড
খ) আইসল্যান্ড
গ) নেদারল্যান্ড
ঘ) পোল্যান্ড
Note : পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত না থেকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মর্যাদা পায়। যুদ্ধকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে জটিলতা থাকায় দেশটি স্বাক্ষর করতে পারেনি। তবে পরবর্তীতে সনদে স্বাক্ষর করে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। হল্যান্ড ও আইসল্যান্ড সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ ছিল।
ক) অ্যানোডে
খ) ক্যাথোডে
গ) অ্যানোড এবং ক্যাথোড উভয়টিতে
ঘ) বর্ণিত কোনটিতে নয়
Note : তড়িৎ-রাসায়নিক কোষে বা তড়িৎ-বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় যে তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া অর্থাৎ ইলেকট্রন বর্জন ঘটে তাকে অ্যানোড বলে। অন্যদিকে ক্যাথোডে বিজারণ বিক্রিয়া অর্থাৎ ইলেকট্রন গ্রহণ ঘটে। তাই সঠিক উত্তর হলো অ্যানোড।
ক) সোডিয়াম সালফেট
খ) সোডিয়াম থায়োসালফেট
গ) সিলভার ক্লোরাইড
ঘ) সোডিয়াম বাই-সালফেট
Note : ফটোগ্রাফিতে ফিক্সার হিসেবে ব্যবহৃত 'হাইপো' এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম থায়োসালফেট যার সংকেত Na₂S₂O₃। সোডিয়াম সালফেট (Na₂SO₄) বা সোডিয়াম বাই-সালফেট (NaHSO₄) ভিন্ন রাসায়নিক যৌগ এবং সিলভার ক্লোরাইড একটি লবণ।
ক) স্নায়ুতন্ত্র
খ) হরমোন
গ) পেশী
ঘ) উৎসেচক
Note : হরমোন হলো এক প্রকার জৈব-রাসায়নিক পদার্থ যা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে দূরবর্তী কোনো কোষ বা অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এই কারণে হরমোনকে রাসায়নিক দূত বা chemical messenger বলা হয়। স্নায়ুতন্ত্র মূলত তড়িৎ সংকেত ব্যবহার করে উৎসেচক বিক্রিয়ার গতি বাড়ায় এবং পেশী অঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে।
ক) Acryl
খ) Jute
গ) Cotton
ঘ) Wool
Note : প্রাকৃতিক তন্তু প্রকৃতিতে উদ্ভিদ বা প্রাণী থেকে পাওয়া যায়। পাট (Jute), তুলা (Cotton) এবং পশম (Wool) হলো প্রাকৃতিক তন্তু। অন্যদিকে, অ্যাক্রাইলিক (Acryl) একটি কৃত্রিম বা সিন্থেটিক ফাইবার, যা রাসায়নিকভাবে পলিনিট্রাইল থেকে তৈরি হয়।
ক) Methane
খ) Styrene
গ) Acetylene
ঘ) Ethylene
Note : পলিথিন বা পলিইথিলিন একটি বহুল ব্যবহৃত পলিমার, যা এর মনোমার বা একক অণুর পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। পলিথিনের মনোমার হলো ইথিলিন (Ethylene, CH₂=CH₂)। বহুসংখ্যক ইথিলিন অণু পলিমারকরণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে পলিথিন তৈরি করে।
জব সলুশন