'মনীষা'---এর সন্ধি -বিচ্ছেদ -----
বাংলা ব্যাকরণে এমন কিছু সন্ধি রয়েছে যেগুলাে নিয়মবহির্ভূত, কিন্তু প্রচলিত। এদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। মনীষা নিপাতনে সিদ্ধ। যেমন আ + চর্য = আশ্চর্য, বৃহৎ + প্রতি বৃহস্পতি; মনস + ঈষা = মনীষা; ষট + দশ = ষােড়শ ইত্যাদি।
Related Questions
'শিব মন্দির' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কায়কোবাদ।
কায়কোবাদ, মহাকবি কায়কোবাদ বা মুন্সী কায়কোবাদ (১৮৫৭ - ২১ জুলাই, ১৯৫১) বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য কবি যাকে মহাকবিও বলা হয়। তার প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরায়শী।
বিরহ বিলাপ (১৮৭০) (এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ), কুসুম কানন (১৮৭৩), অশ্রুমালা (১৮৯৬); মহাশ্মশান (১৯০৪), এটি তার রচিত মহাকাব্য, শিব - মন্দির বা জীবন্ত সমাধি (১৯২১), অমিয় ধারা (১৯২৩)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রোমান্টিক কাব্যধর্মী উপন্যাস শেষের কবিতা (১৯২৯) সালে।
এ উপন্যাসটি ১৯২৮ সালে প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো - চোখের বালি, নৌকা ডুবি, গোরা ইত্যাদি
বাংলা সাহিত্যে অতুলনীয় ও সর্বতোমুখী প্রতিভার অধিকারী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । এশীয়দের মধ্যে প্রথম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কোভিদ মর্যাদা নিয়ে ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ছোটগল্পের পথিকৃৎ তিনি। এছাড়াও সাংকেতিক নাটক অভিনবত্ব দেখিয়েছেন। তিনি 'কালের যাত্রা' তার একটি সাংকেতিক নাটক।
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি। 'দোলনচাঁপা' ১৯২৩ সালে রচিত কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান কাব্যগ্রন্থ। এটি ২১টি কবিতার সংকলন। প্রথম কবিতা 'আজ সৃষ্টি সখের উল্লাসে'।
বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮)। তার সাহিত্য কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালে তাকে সম্মানসূচক ডি - লিট ডিগ্রি প্রদান করে। বাঙ্গালী নারীর প্রকৃতি অঙ্কনে তিনি যে দক্ষতা দেখিয়েছেন 'দেনাপাওনা' তার একটি।
মীর মশাররফ হোসেন এর উল্লেখযোগ্য রচনাবলীঃ বসন্তকুমারী নাটক (১৮৭৩), জমিদার দর্পণ (১৮৭৩), এর উপায় কি (১৮৭৫), বিষাদ - সিন্ধু (১৮৮৫ - ১৮৯১)। জমিদার দর্পণ নাটকটিতে অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হাইওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্থ প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নুরনেহার কে ধর্ষণ ও হত্যার কাহিনী ফুটে উঠেছে।
জব সলুশন