'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কোন বিষয়টির আধিক্য দেখা যায়?
ক) ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক
খ) আবেগ ও ভালোবাসার প্রতিফলন
গ) অবারিত লক্ষ্যভেদ
ঘ) রক্তদানের পুণ্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কবি এই কবিতার মাধ্যমে এই বয়সের ভয় ও লক্ষ্যহীনতার নেতিবাচক দিক এবং সাহসিকতা ও ত্যাগের ইতিবাচক দিক - উভয়ই ফুটিয়ে তুলেছেন।
Related Questions
ক) দুঃ + সহ
খ) দু + সহ
গ) দুঃ + আসহ
ঘ) দুঃ + অসাধ্য
Note : এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গের পরে 'স' থাকলে বিসর্গ সাধারণত অবিকৃত থাকে অথবা বিকল্পে দন্ত্য-স হয় তাই সঠিক বিচ্ছেদ দুঃ + সহ।
ক) আঠারো বছর বয়স
খ) রানার
গ) দেশপ্রেম
ঘ) মানুষ
Note : দেশের মুক্তি ও কল্যাণে তারুণ্যের দুঃসাহসী প্রাণশক্তি প্রয়োজন মনে করে কবি এই কামনার মধ্য দিয়ে তাঁর কবিতাটি সমাপ্ত করেছেন।
ক) আঠারো বছর বয়স
খ) ছাড়পত্র
গ) মানুষের গান
ঘ) দেশপ্রেম
Note : এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পঙক্তি যেখানে তারুণ্যের আত্মত্যাগের মহিমা ও মহত্ব প্রকাশ পেয়েছে।
ক) সহ্য করা যায় না এমন
খ) দুর্গম
গ) অসহ্য
ঘ) কঠিন
Note : শব্দার্থের বিচারে 'দুঃসহ' বলতে যা সহ্য করা অত্যন্ত কঠিন তা বোঝায়। কবি তারুণ্যের তীব্র আবেগ ও সমাজ পরিবর্তনের তীব্র কষ্টকে এখানে দুঃসহ বলেছেন।
ক) মুক্তি
খ) দুর্যোগ ও ঝড়ঝাঁপটা
গ) অসাধ্য সাধন
ঘ) সাহস
Note : কবির মতে এই বয়সে জীবন অনেক বেশি অস্থির থাকে এবং তরুণদের নানা রকম সামাজিক ও মানসিক দুর্যোগ ও ঝড়ঝাঁপটা মোকাবিলা করতে হয়।
ক) মুক্তি
খ) দেশপ্রেম
গ) তারুণ্য
ঘ) বিদ্রোহ
Note : পুরো কবিতা জুড়ে আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক এবং এর অসীম ক্ষমতার কথা বর্ণিত হয়েছে যা সরাসরি তারুণ্যের প্রতীক।
জব সলুশন