তালব্যবর্ণ কোনগুলো?
যেসব বর্ণ বা ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে, সেগুলোকে তালব্যবর্ণ বলে। ই, ঈ ছাড়াও বাংলা ব্যাকরণে আরও কিছু বর্ণ এই তালব্যবর্ণের অন্তর্ভুক্ত।
তালব্যবর্ণের পূর্ণাঙ্গ তালিকা: স্বরবর্ণ: ই, ঈ ,ব্যঞ্জনবর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ
Related Questions
সূর্যের দিন- হুমায়ূন আহমেদ প্রথম প্রকাশ: ১৯৮৬
"বজ্রে তোমার বাজে বাঁশি" বাক্যে বজ্রে শব্দটি অধিকরণে ৭মী (সপ্তমী) বিভক্তি। ] এখানে 'বজ্রে' (বজ্র + এ) দ্বারা 'যার মধ্যে বা যার সাহায্যে বাজে' তা বোঝানো হয়েছে, যা মূলত আধার বা স্থান নির্দেশ করে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি অধিকরণ কারক এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
”আদালত” শব্দটি আরবি ভাষার শব্দ । আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এসেছে । কিছু আরবি শব্দ হলাে আল্লাহ , ওযু , হজ , যাকাত , হালাল , হারাম , দোয়াত , নগদ , বাকি , মহকুমা , মােক্তার , তারিখ , খবর , খাজনা , জনাব , দলিল , নবাব , মসজিদ , লেবু , মন ইত্যাদি ।
'উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক রশীদ করীম l তাঁর এই জনপ্রিয় উপন্যাসটি ১৯৫৮ সালে লেখা হলেও পুস্তক আকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে。 আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যে, বিশেষ করে মধ্যবিত্তের মনস্তাত্ত্বিক চিত্রায়নে এটি একটি অত্যন্ত প্রশংসিত উপন্যাস, যা ১৯৬১ সালে 'আদমজী পুরস্কার' লাভ করে。
শশাঙ্ক শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো চাঁদ বা চন্দ্র। শব্দটির উৎপত্তি ও বিশদ অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
ব্যুৎপত্তি: 'শশ' (খরগোশ) এবং 'অঙ্ক' (চিহ্ন বা কোল) মিলে শশাঙ্ক শব্দটি তৈরি। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, চাঁদের গায়ে খরগোশের মতো একটি কালো দাগ রয়েছে। তাই চাঁদকে 'শশাঙ্ক' বলা হয়।
জব সলুশন