টপিকঃ বাক্য

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free Access - Limited to 50 questions total

1. কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) আকাঙ্কা
খ) আকাঙ্খা
গ) আকাংখা
ঘ) আকাঙ্ক্ষা
Note :
ব্যাকরণিক পরিভাষা হিসেবে শুদ্ধ বানানটি হলো আকাঙ্ক্ষা (ঙ+ক্ষ)। অন্য বানানগুলো অশুদ্ধ।

2. ‘রক্ষকই ভক্ষক’ বাক্যটি কোন জাতীয় বাক্য?

ক) সরল বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) মিশ্র বাক্য
Note :
যিনি রক্ষক তিনিই ভক্ষক (জটিল) বাক্যটিকে সংকুচিত করে রক্ষকই ভক্ষক করা হয়েছে যা সরল বাক্য।

3. ‘সত্যি সেলুকাস, এ দেশ বড় বিচিত্র!’ - কোন বাক্য?

ক) নির্দেশাত্মক বাক্য
খ) বিস্ময়বোধক বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) জটিল বাক্য
Note :
বাক্যটিতে বক্তার বিস্ময় ভাব প্রকাশ পেয়েছে। এটি একটি বিখ্যাত উক্তি যা বিস্ময়বোধক বাক্যের উদাহরণ।

4. অস্তিবাচক বাক্য-

ক) আপনি আমায় অবিশ্বাস করেছেন
খ) আমি অন্য ঘরে যাব না
গ) সে কিছুতেই সন্তুষ্ট নয়
ঘ) এবারের বেশি ফোন করিনি
Note :
ক অপশনে কোনো না-বোধক শব্দ নেই তাই এটি অস্তিবাচক। বাকি সবগুলোতে না/নি/নয় আছে।

5. কোনটি অস্তিবাচক বাক্য?

ক) পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়
খ) কথাটা না মেনে উপায় নেই
গ) ওকে চেনাই যায় না
ঘ) জায়গাটা নির্জন
Note :
অস্তিবাচক বা affirmative বাক্যে না-বোধক শব্দ থাকে না। জায়গাটা নির্জন মানে সেখানে কেউ নেই (নেতিবাচক অর্থ) কিন্তু বাক্যটিতে না/নি শব্দ নেই এবং এটি ইতিবাচক ভঙ্গি প্রকাশ করছে।

6. যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে-

ক) সরল বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) মিশ্র বাক্য
Note :
যদি-তবে শর্তবাচক যোজক থাকায় এটি জটিল বা মিশ্র বাক্য।

7. ‘সুখী মানুষ সূর্যোদয়ে আনন্দিত হয় এবং রাত্রির আগমনে পুলকিত হয়ে থাকে।‘- কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল
খ) মিশ্র
গ) জটিল
ঘ) যৌগিক
Note :
এবং যোজক দ্বারা দুটি পূর্ণ বাক্য যুক্ত হয়েছে তাই এটি যৌগিক বাক্য।

8. “তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি।” এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) ব্যাস বাক্য
Note :
এটি যৌগিক বাক্য নয় কারণ কিন্তু বা অথচ নেই। এটি জটিল বাক্য নয় কারণ সাপেক্ষ সর্বনাম নেই। অসমাপিকা ক্রিয়া (বাড়লেও) ব্যবহার করে এটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে।

9. বাক্যের দুটি অংশ থাকে -

ক) প্রসাদগুণ মাধুর্যগুণ
খ) উপমা অলংকার
গ) উদ্দেশ্য বিধেয়
ঘ) সাধু চলিত
Note :
বাক্যের গঠনগত দিক থেকে একে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয় যার একটি হলো উদ্দেশ্য বা Subject এবং অন্যটি হলো বিধেয় বা Predicate।

10. ‘ছোট কিন্তু রসে ভরা’- বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তরিত করলে হবে-

ক) রসে ভরা ছোট চিঠি
খ) যদিও ছোট তবু রসে ভরা
গ) ছোট ও রসে ভরা
ঘ) ছোট হলেও রসে ভরা
Note :
যৌগিক বাক্যকে সরল করতে হলে যোজক উঠিয়ে দিয়ে একটি অংশকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করতে হয়। হলেও ব্যবহার করে তা করা হয়েছে।

11. বাক্যের তিনটি গুণ কি কি?

ক) আকাঙ্ক্ষা আসত্তি ও বিধেয়
খ) আকাঙ্ক্ষা আসত্তি ও যোগ্যতা
গ) যোগ্যতা উদ্দেশ্য ও বিধেয়
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :
ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা বা শোনার ইচ্ছা আসত্তি বা সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস এবং যোগ্যতা বা অর্থগত ও ভাবগত মিল।

12. কোনটি সার্থক বাক্যের গুণ নয়?

ক) আকাঙ্ক্ষা
খ) যোগ্যতা
গ) আসক্তি
ঘ) আসত্তি
Note :
সার্থক বাক্যের গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা আসত্তি ও যোগ্যতা। আসক্তি (Addiction/Attachment) বাক্যের কোনো ব্যাকরণিক গুণ নয়।

13. ‘তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি’ এটা কোন ধরনের বাক্য?

ক) যৌগিক বাক্য
খ) সাধারণ বাক্য
গ) মিশ্র বাক্য
ঘ) সরল বাক্য
Note :
দুটি স্বাধীন বাক্যকে কিন্তু যোজক দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে যা যৌগিক বাক্যের প্রধান লক্ষণ।

14. মিশ্র বাক্যের অপর নাম কি?

ক) জটিল বাক্য
খ) খণ্ড বাক্য
গ) সরল বাক্য
ঘ) যৌগিক বাক্য
Note :
গঠন অনুসারে যা মিশ্র বাক্য তাই জটিল বাক্য। ইংরেজিতে একে Complex Sentence বলা হয়।

15. ‘যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে, তাদের ঋণ আমরা শোধ করতে পারব না’-এখানে ঋণ কী?

ক) উদ্দেশ্যের প্রসারক
খ) বিধেয়ের প্রসারক
গ) বিধেয়ের পূরক
ঘ) বিধেয়ের ক্রিয়া
Note :
বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনের অবলম্বনকে কর্ম বা পূরক বলা হয়। এখানে শোধ করতে পারব না ক্রিয়াটির কর্ম হিসেবে ঋণ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তাই এটি বিধেয়ের পূরক।

16. “বিদ্বান লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র”- এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল
খ) যৌগিক
গ) জটিল
ঘ) বিযুক্ত
Note :
বাক্যটিতে কোনো শর্ত বা সংযোজক অব্যয় নেই। এটি একটি মাত্র ভাব প্রকাশ করছে তাই এটি সরল বাক্য।

17. খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি। এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল
খ) জটিল
গ) যৌগিক
ঘ) বিধেয়পূর্ণ
Note :
যে মাটি আমার দেশের তা খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি - এই অর্থে এটি ভাবগতভাবে জটিল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।

18. ‘ভাল ফলের চেষ্টা কর।’ এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) ইচ্ছাবোধক
খ) নির্দেশাত্মক
গ) বিস্ময়বোধক
ঘ) অনুজ্ঞাবাচক
Note :
চেষ্টা কর - এটি একটি উপদেশ বা আদেশ তাই এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য।

19. ‘অরণ্যে রোদন’ না বলে ‘বনে ক্রন্দন’ বললে বাক্যটি কি হারাবে?

ক) আকাঙ্ক্ষা
খ) আসত্তি
গ) যোগ্যতা
ঘ) উদ্দেশ্য
Note :
অরণ্যে রোদন একটি বিশিষ্টার্থক বাগধারা যার অর্থ নিষ্ফল আবেদন। এর শব্দ পরিবর্তন করে বনে ক্রন্দন বললে বাগধারার বিশেষ অর্থ নষ্ট হয় ফলে বাক্যটি তার যোগ্যতা গুণটি হারায়।

20. “যিনি উপকার করেন, তাকে সবাই শ্রদ্ধা করেন”- কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল বাক্য
খ) মিশ্র বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) প্রশ্নবোধক বাক্য
Note :
যিনি-তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা গঠিত হওয়ায় এটি মিশ্র বা জটিল বাক্য।

21. কোনটি যৌগিক বাক্য?

ক) তুমি আমার বাড়িতে না আসলে আমি অখুশি হব
খ) তুমি আমার বাড়িতে আসলে খুশি হব
গ) তুমি আমার বাড়িতে এসো আমি খুশি হব
ঘ) তুমি যদি আমার বাড়িতে আস আমি খুশি হব
Note :
এখানে দুটি বাক্য (এসো এবং আমি খুশি হব) কমা দ্বারা পৃথক হলেও ভাবগতভাবে সংযোজিত। অন্য অপশনগুলোতে শর্ত বা অসমাপিকা ক্রিয়া আছে।

22. ‘বসে থাকো’- এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) বিবৃতিমূলক
খ) বিস্ময়সূচক
গ) অনুজ্ঞাবাচক
ঘ) অস্তিবাচক
Note :
বসে থাকো একটি আদেশ বা নির্দেশ যা অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের অন্তর্গত।

23. বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই হলো-

ক) মাধুর্য
খ) আসত্তি
গ) আকাঙ্ক্ষা
ঘ) যোগ্যতা
Note :
মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে সাজাতে হয় যাতে অর্থ বুঝতে কোনো অসুবিধা না হয়। এই সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলা হয়।

24. ‘প্রিয়ংবদা যথার্থ কহিয়াছে’ বাক্যটি একটি-

ক) অস্তিবাচক বাক্য
খ) নেতিবাচক বাক্য
গ) সমার্থক বাক্য
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :
বাক্যটিতে কোনো না-বোধক শব্দ নেই তাই এটি অস্তিবাচক বা Affirmative বাক্য।

25. ‘তবু না বলা কথাটি সবাই মেনে নেয়’- বাক্যটির নেতিবাচক রূপ-

ক) তবু না বলা কথাটি সবাই মেনে নেয় না
খ) তবু না বলা কথাটি সবাই না নিয়ে পারে না
গ) তবু না বলা কথাটি সবার না মানার উপায় থাকে না
ঘ) তবু না বলা কথাটি সবার মানতে হয়
Note :
অর্থ ঠিক রেখে নেতিবাচক করতে হলে মেনে নেয় এর বিপরীত না নিয়ে পারে না ব্যবহার করতে হবে।

26. মা-বাবার সেবা কর। এটি কী ধরনের বাক্য?

ক) নির্দেশক
খ) অনুজ্ঞাসূচক
গ) ইচ্ছাসূচক
ঘ) অস্তিবাচক
Note :
এটি একটি উপদেশমূলক বাক্য যা অনুজ্ঞাসূচক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

27. “কে কোথা হইতে শব্দ করিতেছে, তাহাও জানিবার উপায় নাই।” - কোন শ্রেণির বাক্য?

ক) যৌগিক বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) সরল বাক্য
ঘ) অনুজ্ঞা
Note :
এই বাক্যে সাপেক্ষ ভাব রয়েছে এবং একটি অংশ অন্য অংশের ওপর নির্ভরশীল তাই এটি জটিল বাক্য।

28. ‘বুড়িকে পকেট থেকে কিছু পয়সা বার করে দিলাম।’ গঠন অনুসারে বাক্যটি যে ধরনের-

ক) সরল
খ) জটিল
গ) যৌগিক
ঘ) মিশ্র
Note :
বাক্যটিতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (দিলাম) রয়েছে। তাই গঠন অনুযায়ী এটি সরল বাক্য।

29. ‘তুই যেতে পারবি না।’ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ নিচের কোনটি?

ক) তুই যেতে পারবি
খ) তুই না যেয়ে পারবি না
গ) তোকে থাকতে হবে
ঘ) তোকে যাইতেই হবে
Note :
যেতে পারবি না এর অর্থ হলো তোকে অবস্থান করতে হবে বা থাকতে হবে। এটি অর্থ অপরিবর্তিত রেখে অস্তিবাচক রূপ।

30. গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?

ক) দুই প্রকার
খ) পাঁচ প্রকার
গ) ছয় প্রকার
ঘ) তিন প্রকার
Note :
গঠন অনুসারে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. সরল বাক্য ২. জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং ৩. যৌগিক বাক্য।

31. সরল বাক্যে রূপান্তর কর-‘যদি আমার কথা না শুন, ভবিষ্যতে অনুতাপ করবে’।

ক) আমার কথা না শুনলে অনুতাপ করবে
খ) আমার কথা শুনলে অনুতাপ করবে
গ) আমার কথা না শুনলে ভবিষ্যতে অনুতাপ করবে
ঘ) ভবিষ্যতে আমার কথা না শুনলে অনুতাপ করবে
Note :
শর্তবাচক জটিল বাক্যকে সরল করতে হলে অসমাপিকা ক্রিয়া (শুনলে) ব্যবহার করতে হয়। এখানে ক অপশনটি অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

32. একটি বাক্যে ‘যোগ্যতা’ বলতে বোঝায়-

ক) বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত সংগতি
খ) বাক্যের পদসমূহের সুশৃঙ্খল বিন্যাস
গ) বাক্যে এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা
ঘ) বাক্যে কর্তা ও ক্রিয়াপদের অন্বয়
Note :
বাক্যের পদগুলোর অর্থের সাথে বাস্তবতার মিল থাকাকে যোগ্যতা বলে। অর্থাৎ পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত সংগতিই হলো যোগ্যতা।

33. ‘যতই পরিশ্রম করবে, ততই ফল পাবে’-

ক) নির্দেশক বাক্য
খ) সরল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) জটিল বাক্য
Note :
যতই-ততই সাপেক্ষ যোজক বা শব্দ ব্যবহার করে কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করায় এটি জটিল বাক্য।

34. ‘এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না’- এটি কোন শ্রেণির বাক্য?

ক) সরল
খ) জটিল
গ) মিশ্র
ঘ) যৌগিক
Note :
দুটি কাজ বা ঘটনাকে কিন্তু দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে এবং উভয় অংশ স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে।

35. ‘আমার এমন কিছু নেই, যা তোমাকে দিতে পারি।’ এটি কোন জাতীয় বাক্য?

ক) জটিল
খ) সরল
গ) যৌগিক
ঘ) মৌলিক
Note :
বাক্যটিতে এমন-যা এই সাপেক্ষ সর্বনামগুলো ব্যবহৃত হয়েছে এবং দুটি অংশ পরস্পর নির্ভরশীল। তাই এটি জটিল বাক্য।

36. শুদ্ধ রূপটি চিহ্নিত করুন-

ক) সব ছাত্ররা
খ) সব ছাত্রবৃন্দ
গ) সব ছাত্র
ঘ) সব ছাত্রসমূহ
Note :
বহুবচনের দ্বিরুক্তি ব্যাকরণগত ভুল। সব এবং ছাত্ররা একসাথে বসে না। শুদ্ধ রূপ হলো সব ছাত্র অথবা ছাত্ররা। অপশনগুলোর মধ্যে সব ছাত্র শুদ্ধ।

37. ‘আপনি যাকে ঘৃণা করছেন সে গরিব বটে, কিন্তু লোভী নয়’- এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) যৌগিক বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) সরল বাক্য
ঘ) অশুদ্ধ বাক্য
Note :
বাক্যটিতে কিন্তু যোজক প্রধান। যদিও প্রথমাংশে জটিল গঠন আছে (যাকে-সে) কিন্তু চূড়ান্তভাবে এটি যৌগিক বাক্যের কাঠামো অনুসরণ করছে।

38. “গাড়িঘোড়া চড়লে লেখাপড়া কর।”- এই সরল বাক্যটির যৌগিকরূপ কোনটি?

ক) লেখাপড়া কর তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে
খ) লেখাপড়া করে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে
গ) লেখাপড়া করে যেই গাড়িঘোড়া চড়ে সেই
ঘ) গাড়িঘোড়ায় চড়ার জন্য প্রয়োজন লেখাপড়া
Note :
সরল বাক্যটিকে যৌগিক করতে হলে দুটি স্বাধীন বাক্যে ভাগ করতে হবে এবং যোজক যোগ করতে হবে। লেখাপড়া কর এবং তাহলে গাড়ি চড়তে পারবে - এটি সঠিক যৌগিক রূপ।

39. “মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে।”- কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল
খ) যৌগিক
গ) মিশ্র
ঘ) বিবৃতিমূলক
Note :
এখানে করলে হলো অসমাপিকা ক্রিয়া এবং নৃত্য করে হলো সমাপিকা ক্রিয়া। যেহেতু একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে তাই এটি সরল বাক্য।

40. ‘আসত্তি’ শব্দের অর্থ-

ক) আসক্তি
খ) অনুরাগ
গ) নৈকট্য
ঘ) যুক্ত
Note :
আসত্তি শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো নৈকট্য বা মিলন। ব্যাকরণে পদগুলোর পারস্পরিক সন্নিকট অবস্থান বা সুশৃঙ্খল বিন্যাস বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

41. ‘প্রিয়ংবদা যথার্থ কহিয়াছে।’- বাক্যটির নেতিবাচক রূপ নিচের কোনটি?

ক) প্রিয়ংবদা যথার্থ কহে নাই
খ) প্রিয়ংবদা অযথার্থ কহিয়াছে
গ) প্রিয়ংবদা অযথার্থ কহে নাই
ঘ) প্রিয়ংবদা বলে নাই
Note :
যথার্থ কহিয়াছে এর অর্থ ঠিক রেখে নেতিবাচক করতে হলে বলতে হবে অযথার্থ (ভুল) কহে নাই।

42. নিচের কোনটি সরল বাক্য তা চিহ্নিত করুন।

ক) ইহারা যেরূপ এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে অনুপস্থিত
খ) ইহারা যেরূপ এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরের বাহিরে আছে
গ) ইহাদের মত রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই
ঘ) ইহারা যেরূপ এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই
Note :
ইহাদের মত রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই বাক্যটি গঠনগতভাবে সরল কারণ এতে একটি মাত্র বিধেয় এবং কোনো সাপেক্ষ যোজক নেই।

43. কোন বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত?

ক) তার বাহিরে যাবার সময় হয়েছে
খ) সে স্কুলে যাবে
গ) তার বিবাহ হয় নাই
ঘ) তাহারা রওয়ানা হলো
Note :
সে স্কুলে যাবে বাক্যটিতে ভাষারীতির কোনো মিশ্রণ বা ভুল প্রয়োগ নেই। ক অপশনে বাহিরে এর বদলে বাইরে এবং গ অপশনে বিবাহ এর বদলে বিয়ে ব্যবহার চলিত রীতিতে অধিক গ্রহণযোগ্য।

44. অর্থানুসারে বাক্য কয় প্রকার?

ক) ছয়
খ) পাঁচ
গ) চার
ঘ) তিন
Note :
অর্থানুসারে বাক্যকে সাধারণত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়: বিবৃতিমূলক প্রশ্নবোধক অনুজ্ঞাসূচক ইচ্ছাসূচক এবং আবেগ বা বিস্ময়সূচক বাক্য।

45. ‘তার ধন আছে কিন্তু বিদ্যা নাই’ - গঠন অনুযায়ী বাক্যটি কোন শ্রেণির?

ক) সরল
খ) যৌগিক
গ) মিশ্র
ঘ) জটিল
Note :
ধন আছে এবং বিদ্যা নাই - এই দুটি বাক্য কিন্তু দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।

46. কোনটি সরল বাক্য?

ক) যে রক্ষক সেই ভক্ষক
খ) তিনি দরিদ্র কিন্তু চরিত্রহীন নন
গ) ধনের ধর্মই অসাম্য
ঘ) তার বয়স হয়েছে কিন্তু বুদ্ধি হয়নি
Note :
ধনের ধর্মই অসাম্য বাক্যটিতে একটি উদ্দেশ্য ও একটি বিধেয় আছে এবং কোনো সংযোজক অব্যয় নেই। এটি একটি সরল বাক্য।

47. কোন বাক্যশটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত?

ক) মড়াপোড়া
খ) ঘোড়ার গাড়ি
গ) শবদাহ
ঘ) ঘোটকের গাড়ি
Note :
ঘোটক হলো তৎসম শব্দ এবং গাড়ি হলো দেশি শব্দ। এদের মিশ্রণ গুরুচণ্ডালী দোষ তৈরি করেছে। শুদ্ধ হবে ঘোড়ার গাড়ি।

48. বাংলা ভাষায় গুরুচণ্ডালী দোষ মানে হলো-

ক) উপমার ভুল প্রয়োগ
খ) বাগধারার রদবদল
গ) অপ্রচলিত ও দুর্বোধ্য শব্দ ব্যবহার
ঘ) তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশি শব্দের প্রয়োগ
Note :
তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সাথে দেশি শব্দের অসঙ্গতিপূর্ণ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। যেমন মড়াদাহ না বলে মড়াপোড়া বলা উচিত।

49. “সত্য কথা বলিনি তাই বিপদে পড়েছি।”- কোন শ্রেণির বাক্য?

ক) সরল
খ) জটিল
গ) মিশ্র
ঘ) যৌগিক
Note :
তাই যোজকটি কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করে দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে যা যৌগিক বাক্যের লক্ষণ।

50. “যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়।”-এটি কোন ধরনের বাক্য?

ক) সরল বাক্য
খ) জটিল বাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) খণ্ড বাক্য
Note :
যিনি-তিনি সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহারের মাধ্যমে একটি শর্ত ও ফলাফলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে যা জটিল বাক্যের বৈশিষ্ট্য।
You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade