টপিকঃ ধ্বনি ও বর্ণ
2.
বাংলায় পার্শ্বিক ধ্বনি কয়টি?
যে ধ্বনি জিহবার অগ্রভাগকে মুখের মাঝামাঝি দন্তমূলে ঠেকিয়ে রেখে জিহবার এক বা দু পাশ দিয়ে মুখবিবর থেকে বায়ু বের হয়ে উচ্চারিত হয় তাকে পার্শ্বিক ধ্বনি বলে। যেমন- ল।
3.
ক্ষ্ম' এর বিশ্লিষ্ট রূপ-?
- 'ক্ষ' এর বিশ্লিষ্ট রূপ = ক+ষ
- 'ক্ষ্ম' এর বিশ্লিষ্ট রূপ = ক+ষ+ম
4.
'কার' কী?
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'।
আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।
• উদাহরণ:
ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)
য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)
5.
যে বর্ণ উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাকে বলে-
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, অঘোষ বর্ণ বলে। ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় তাকে অঘোষ ধ্বনি বলে তাহলো - গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি।
6.
বাংলা বর্ণমালার পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি?
বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৩টি। পরাশ্রয়ী বর্ণ তিনটি হলো: ং, ঃ, ঁ। পরাশ্রয়ী বর্ণযুক্ত শব্দের উদাহরণ হলো: রং, চাঁদ, দুঃখ।
10.
বাঙালি শিশু কোন বর্গের ধ্বনিগুলো আগে শেখে?
বাঙালি শিশুরা প বর্গীয় (প,ফ,ব,ভ,ম) ধ্বনিগুলো আগে শেখে ।