টপিকঃ শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 30 Qs

1.

শিরোনামের প্রধান অংশ কোনটি ?

ক) ডাক টিকিট
খ) পোস্টাল কোড
গ) প্রেরকের ঠিকানা
ঘ) প্রাপকের ঠিকানা

2.

সুহৃদ কী ধরনের শব্দ?

ক) মৌলিক
খ) রূঢ়ী
গ) যোগরূঢ়
ঘ) যৌগিক
Note :

 সুন্দর হৃদয় যার= সুহৃদ। এখানে ব্যবহারিক অর্থ ত্যাগ করে বিশেষ অর্থ গ্রহণ করছে। তাই যোগরূঢ় হবে৷

3.

বাংলা গদ্যের জনক কে?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
Note :

বাংলা গদ্যের জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম সার্থক রূপ দেন, যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন এবং বাংলা ভাষার গদ্যরীতিকে সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছিলেন ।

4.

'পতাকা'--এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক) কেতন
খ) মার্গ
গ) নলিন
ঘ) ভাজন

5.

'আমার গানের মালা আমি করব কারে দান।' বাক্যটিতে 'কারে'- শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?

ক) কর্তায় সপ্তমী
খ) কর্মে সপ্তমী
গ) করণে সপ্তমী
ঘ) অপাদানে সপ্তমী
Note :

যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে বলা হয় কর্ম কারক। এজন্য 'কারে' এখানে কর্মকারক এবং এ-কার যুক্ত থাকায় ৭মী বিভক্তি।

6.

ডাক্তার ডাক'-কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্তৃ কারকে শূন্য বিভক্তি
খ) কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
গ) করণ কারকে শূন্য বিভক্তি
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্মকারক বলে। ডাক্তার ডাক (কাকে ডাক?): কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি।

7.

কোনটি 'নিপাতনে সিদ্ধ' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ?

ক) শৈব
খ) সৌর
গ) দৈব
ঘ) চৈত্র
Note :

উপাসক অর্থে: শিব + ষ্ণ = শৈব।

সম্পর্ক বােঝাতে: দেব + ষ্ণ = দৈব, চিত্র + ষ্ণ = চৈত্র।

কিন্তু বিশেষ নিয়মে: সূর্য + ষ্ণ (অ) = সৌর।

8.

সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি ?

ক) ক্রিয়া ও বিশেষণ পদে
খ) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
গ) সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে
ঘ) বিশেষ্য ও অব্যয় পদে
Note :

- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।

- সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো:
- সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।

অপরদিকে,
- চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়।

অপরদিকে,
- চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)।

9.

গিন্নি, কেষ্ট শব্দ দুটি কোন ধরনের শব্দ ?

ক) তৎসম
খ) অর্থ-তৎসম
গ) দেশী
ঘ) বিদেশী

10.

অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা কীসের ওপর নির্ভর করে ?

ক) বিষয়ের উপর
খ) ভাবের উপর
গ) বিন্যাসের উপর
ঘ) ভাষার উপর

11.

অনুবাদের পারদর্শিতা কিসের উপর নির্ভরশীল ?

ক) পড়াশোনার উপর
খ) ভাষান্তরের উপর
গ) নির্ধারনের উপর
ঘ) অভ্যাসের উপর

12.

'পার হইয়া'-এর চলিতরূপ কোনটি?

ক) পার হয়ে
খ) পার হইয়ে
গ) পারি হয়ে
ঘ) পেরিয়ে
Note :

সাধুরীতি তে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। অন্যদিকে সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। যেমন:

সাধুরীতি - চলিত রীতি

তাহাকে(সর্বনাম) - তাকে

পার হইয়া( ক্রিয়া) - পেরিয়ে

13.

চন্দ্রের প্রতিশব্দ নয় ---

ক) সোম
খ) হিমাংশু
গ) সবিতা
ঘ) দ্বিজরাজ

14.

দুহিতা- এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?

ক) পুত্র
খ) কন্যা
গ) স্ত্রী
ঘ) স্বামী

15.

নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ ?

ক) কেবল মাত্র তুমি যাবে
খ) এতে আশ্চর্য হলাম
গ) বিবিধ জিনিস কিনলাম
ঘ) এ সংবাদে সন্তোষ হলাম
Note :

* 'কেবল মাত্র তুমি যাবে' বাক্যটির শুদ্ধ রুপ কেবল 'তুমি যাবে'।

* 'এতে আশ্চার্য হলাম' বাক্যটির শুদ্ধরুপ 'এতে আশ্চর্য/ আশ্চর্যান্বিত হলাম'। 

* ' এ সংবাদে সন্তোষ হলাম' বাক্যটির শুদ্ধ রুপ ‘এ সংবাদে সন্তুষ্ট হলাম।’

'বিবিধ' মানেই অনেক বা নানা রকমের জিনিস বোঝায়।

16.

বাক্যে “কমা” অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কী বসে ?

ক) কোলন
খ) ড্যাস
গ) হাইফেন
ঘ) সেমিকোলন
Note :

কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।একটি অপূর্ন বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারনা করতে হলে কোলন বসে।যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস চিহ্ন বসে।

17.

রেস্তোরা কোন ভাষার শব্দ ?

ক) ওলন্দাজ
খ) জাপানি
গ) ফরাসি
ঘ) ইংরেজি
Note :

ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দ- কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরা । 

18.

বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা , অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে -

ক) ৩২,৮,১০
খ) ৩২,৭,১১
গ) ৩০,৮,১২
ঘ) ৩২,৭,৯
Note :

ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি আর এই ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ।

 

বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।

 

মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকারঃ

 

১. মাত্রাহীন বর্ণ ১০ টি (এ,ঐ,ও,ঔ - স্বরবর্ণ ৪ টি) এবং (ঙ,ঞ,ৎ,ং, ঃ, ঁঁ - ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি)

 

২. অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮ টি (ঋ - স্বরবর্ণ ১ টি) এবং (খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ - ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি)

 

৩. পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২ টি (স্বরবর্ণ ৬ টি + ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬ টি)।

 

যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটি বর্ণ — ঐ (অ + ই), ঔ (অ + উ)

19.

নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদারণ কোনটি ?

ক) নিষ্কর
খ) পরস্পর
গ) সন্তাপ
ঘ) ষষ্ঠ

20.

বাংলা উপসর্গ সংখ্যা কত?

ক) বিশটি
খ) একুশটি
গ) বাইশটি
ঘ) তেইশটি

21.

‘যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ’- এক কথায় কী বলে ?

ক) দুর্গম
খ) শ্বাপদসংকুল
গ) অরণ্য জনপদ
ঘ) বিপদসংকুল
Note :

 

যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ  = শ্বাপদসংকুল।

 

22.

সঞ্চয়িতা' কার রচনা?

ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) জসীম উদ্দীন
Note :

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত কবিতার সংকলন 'সঞ্চয়িতা' (১৯৩১)।
- এ সংকলনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট ২৭টি কাব্যগ্রন্থের কবিতা সংকলন করেন।

- কাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচিত কবিতার সংকলন 'সঞ্চিতা' (১৯২৮)।
- 'সঞ্চিতা'য় মোট ৭৮টি কবিতা ও ১৭টি গান সংকলিত আছে।
- এটি তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।

23.

কোনটি ‘উপপদ তৎপুরুষের' উদাহরণ?

ক) ছেলেধরা
খ) প্রতিবাদ
গ) বিলাতফেরত
ঘ) উপগ্রহ

24.

নদের চাঁদ’ বাগধারাটির অর্থ কি ?

ক) অতি আকাঙিক্ষত বস্তু
খ) অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি
গ) অদৃষ্টের পরিহাস
ঘ) বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি

25.

নিচের কোন শব্দটি প্রাতিপদিক ?

ক) লাঙল
খ) দম্পতি
গ) লেখা
ঘ) সাধিত
Note :

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক। বাংলাএকাডেমী অভিধান অনুসারে 'লাঙ্গল' এর সাথে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়নি, তাই এটি প্রাতিপদিক।
যেমন— লাঙ্গল, হাত, বই, ইত্যাদি।

26.

A bolt from the blue' বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?

ক) যতো গর্জে ততো বর্ষে না
খ) গরিবের মোড়া রোগ
গ) বিনা মেঘে বজ্রপাত
ঘ) অতিলোভে তাতি নষ্ট
Note :

'A bolt from the blue' =বিনা মেঘে বজ্রপাত

27.

সৌম্য শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি ?

ক) শান্ত
খ) সুন্দর
গ) উগ্র
ঘ) কৃষ্ণ

28.

বাক্যে কোন যতি চিহ্নের প্রয়োগে থামার প্রয়োজন নেই ?

ক) হাইফেন
খ) ড্যাস
গ) সেমিকোলন
ঘ) কোলন
Note :

বাংলা ব্যাকরণে হাইফেন (-) এবং ইলেক বা লোপ চিহ্ন ( ’ ) প্রয়োগের ক্ষেত্রে থামার কোনো প্রয়োজন নেই。 [1, 2]

হাইফেন (-): সমাসবদ্ধ বা পাশাপাশি বসে এমন পদগুলোকে যুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ইলেক বা লোপ চিহ্ন (’): কোনো বর্ণ বা স্বরধ্বনি বাদ পড়েছে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (যেমন— বল’ব)। [1, 2]

এদের কাজ শুধু শব্দের গঠন বা রূপ স্পষ্ট করা, বাক্যের মধ্যকার বিরতি নির্দেশ করা নয়

29.

'ঢাক ঢাক গুড় গুড়' বাগধারাটির অর্থ কি?

ক) ষড়যন্ত্র
খ) সন্দেহজনক আচরণ
গ) ঢাক জোরো বাজানো
ঘ) লুকোচুরি
Note :

» ঢাক ঢাক গুড় গুড় - কপটতা/লুকোচুরি

» ডুবে ডুবে পানি খাওয়া - গোপনে কুকাজ করা
» ডাকাবুকো - দুরন্ত
» ডান হাতের ব্যাপার/কাজ - আহার/ভোজন
» ডুমুরের ফুল - অদৃশ্য বস্তু/ অমাবস্যার চাঁদ
» ঢিমে তেতালা - মৃদুগতি
» ঢাকের বায়া - অকেজো
» ঢাকের কাঠি - তোষামুদে
» ঢেঁকি অবতার - নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক
» ঢেকির কচকচি - কলহ

30.

‘মতৈক্য’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি ?

ক) মতঃ + এক
খ) মতঃ + ঐক্য
গ) মত + এক
ঘ) মত + ঐক্য
Note :

'মতৈক্য' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ মত + ঐক্য। অ/আ এরপরে এ/ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐ হয় এবং তা ‘অ/আ’ - র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

You've reached the free limit!

You can only see 30 questions with free access.

Login to upgrade