দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
ক) চেম্বারলেন
খ) রুজভেল্ট
গ) চার্চিল
ঘ) স্ট্যালিন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যদিও চেম্বারলেন যুদ্ধের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু ১৯৪০ সালের মে মাসে তার পতন ঘটলে উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী হন। চার্চিল তার অসাধারণ নেতৃত্বে যুদ্ধকালীন ব্রিটেনকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান, তাই তাকেই যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়।
Related Questions
ক) এটলি
খ) চার্চিল
গ) গ্লাডস্টোন
ঘ) চেম্বারলেন
Note : ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়, তখন নেভিল চেম্বারলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি জার্মানির প্রতি তোষণ নীতির (policy of appeasement) জন্য সমালোচিত হন।
ক) রাশিয়া ও ইউক্রেন
খ) ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
গ) ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
ঘ) জার্মানি ও পোল্যান্ড
Note : ম্যানারহেইম লাইন ছিল ফিনল্যান্ড কর্তৃক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য কারেলিয়ান যোজকে নির্মিত একটি প্রতিরক্ষা রেখা। এটি ১৯৩৯-৪০ সালের শীতকালীন যুদ্ধের সময় বিখ্যাত হয়ে ওঠে।
ক) ব্লিৎসক্রিগ রণনীতি
খ) নৌ অবরোধ রণনীতি
গ) শত্রুকে ধোকায় রাখার রণনীতি
ঘ) ম্যাজিনো লাইন দুর্ভেদ্যতা নীতি
Note : 'ব্লিৎসক্রিগ' (Blitzkrieg) বা 'বিদ্যুৎ গতির যুদ্ধ' ছিল জার্মানির একটি যুগান্তকারী রণকৌশল। এতে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ট্যাংক, বিমান এবং পদাতিক বাহিনীর সমন্বিত আক্রমণের মাধ্যমে শত্রুকে অপ্রস্তুত করে দেওয়া হতো, যা যুদ্ধের শুরুতে জার্মানিকে অভাবনীয় সাফল্য এনে দেয়।
ক) Russia
খ) Poland
গ) Croatia
ঘ) France
Note : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, যখন অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এই আক্রমণের পর ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
ক) ১৯২৭ সনের ১২ আগস্ট
খ) ১৯২৮ সনের ২৭ আগস্ট
গ) ১৯২৮ সনের ৩ নভেম্বর
ঘ) ১৯২৯ সনের ৫ জানুয়ারি
Note : 'প্যারিস প্যাক্ট', যা কেলোগ-ব্রিয়ান্ড প্যাক্ট (Kellogg-Briand Pact) নামেও পরিচিত, ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো আন্তর্জাতিক বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য যুদ্ধকে নীতিগতভাবে পরিহার করার অঙ্গীকার করে।
ক) আনোয়ার পাশা
খ) জেনারেল তুরগত ওজা
গ) হারুন-অর-রশীদ
ঘ) কামাল পাশা
Note : মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক (কামাল পাশা) তুরস্কে খিলাফত ও সালতানাতের অবসান ঘটিয়ে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যাপক সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তাকে 'আধুনিক তুরস্কের জনক' বলা হয়।
জব সলুশন