Who was the Japanese Commander in Chief during the WWII?
ক) Isoroku Yamamoto
খ) Isoroku Myamoto
গ) Isoroku Hirohito
ঘ) Isoroku Matsubito
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
অ্যাডমিরাল ইসোরোকু ইয়ামাতো (Isoroku Yamamoto) ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইম্পেরিয়াল জাপানিজ নেভির সম্মিলিত নৌবহরের কমান্ডার-ইন-চিফ। পার্ল হারবার আক্রমণের পরিকল্পনা তারই মস্তিষ্কপ্রসূত ছিল।
Related Questions
ক) জার্মানি
খ) জাপান
গ) রাশিয়া
ঘ) ইতালি
Note : ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপান যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত পার্ল হারবার নৌ-ঘাঁটিতে আকস্মিক বিমান হামলা চালায়। এই আক্রমণের ফলেই যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি প্রবেশ করে।
ক) চার্লস ডি গ্যালে
খ) নেলসন ম্যান্ডেলা
গ) জুমো কেনিয়াটা
ঘ) কিনেথ কাউন্ডা
Note : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নিলে জেনারেল চার্লস ডি গ্যালে লন্ডনে নির্বাসিত সরকার (Free French Forces) গঠন করেন এবং সেখান থেকে ফরাসি প্রতিরোধ আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।
ক) ডুরান্ড লাইন
খ) ম্যাজিনো লাইন
গ) হিন্ডারবার্গ লাইন
ঘ) ম্যাকমোহন লাইন
Note : 'ম্যাজিনো লাইন' (Maginot Line) ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান সীমান্তে নির্মিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দীর্ঘ কংক্রিটের দুর্গ, বাংকার ও সামরিক স্থাপনার সারি। এর উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যৎ জার্মান আক্রমণ প্রতিহত করা।
ক) 1942
খ) 1941
গ) 1943
ঘ) 1940
Note : ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বরে মুসোলিনির ইতালি লিবিয়া থেকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত মিশরে আক্রমণ শুরু করে, যা উত্তর আফ্রিকা অভিযানের সূচনা করে। পরবর্তীতে জার্মান বাহিনী (আফ্রিকা কর্পস) ইতালিকে সাহায্য করার জন্য যোগ দেয়।
ক) আনোয়ার সাদাত
খ) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
গ) মার্শাল টিটো
ঘ) কামাল আতাতুর্ক
Note : জার্মান ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকার রণাঙ্গনে তার অসাধারণ রণকৌশল ও ধূর্ততার জন্য 'ডেজার্ট ফক্স' বা 'মরুভূমির শেয়াল' উপাধি পেয়েছিলেন।
ক) আব্রাহাম লিংকন
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
গ) উইনস্টন চার্চিল
ঘ) মাও সেতুং
Note : এটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের একটি বিখ্যাত বক্তৃতার অংশ। ১৯৪০ সালে ডানকার্ক থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের পর হাউস অফ কমন্সে দেওয়া এই ভাষণে তিনি জার্মান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্রিটিশদের প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।
জব সলুশন