কোন সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালিয়ান ও জার্মান বাহিনী ব্রিটিশ অধিভুক্ত উত্তর আফ্রিকা আক্রমণ করে?
ক) 1942
খ) 1941
গ) 1943
ঘ) 1940
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বরে মুসোলিনির ইতালি লিবিয়া থেকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত মিশরে আক্রমণ শুরু করে, যা উত্তর আফ্রিকা অভিযানের সূচনা করে। পরবর্তীতে জার্মান বাহিনী (আফ্রিকা কর্পস) ইতালিকে সাহায্য করার জন্য যোগ দেয়।
Related Questions
ক) আনোয়ার সাদাত
খ) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
গ) মার্শাল টিটো
ঘ) কামাল আতাতুর্ক
Note : জার্মান ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকার রণাঙ্গনে তার অসাধারণ রণকৌশল ও ধূর্ততার জন্য 'ডেজার্ট ফক্স' বা 'মরুভূমির শেয়াল' উপাধি পেয়েছিলেন।
ক) আব্রাহাম লিংকন
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
গ) উইনস্টন চার্চিল
ঘ) মাও সেতুং
Note : এটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের একটি বিখ্যাত বক্তৃতার অংশ। ১৯৪০ সালে ডানকার্ক থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের পর হাউস অফ কমন্সে দেওয়া এই ভাষণে তিনি জার্মান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্রিটিশদের প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।
ক) চেম্বারলেন
খ) রুজভেল্ট
গ) চার্চিল
ঘ) স্ট্যালিন
Note : যদিও চেম্বারলেন যুদ্ধের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু ১৯৪০ সালের মে মাসে তার পতন ঘটলে উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী হন। চার্চিল তার অসাধারণ নেতৃত্বে যুদ্ধকালীন ব্রিটেনকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান, তাই তাকেই যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়।
ক) এটলি
খ) চার্চিল
গ) গ্লাডস্টোন
ঘ) চেম্বারলেন
Note : ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়, তখন নেভিল চেম্বারলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি জার্মানির প্রতি তোষণ নীতির (policy of appeasement) জন্য সমালোচিত হন।
ক) রাশিয়া ও ইউক্রেন
খ) ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
গ) ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
ঘ) জার্মানি ও পোল্যান্ড
Note : ম্যানারহেইম লাইন ছিল ফিনল্যান্ড কর্তৃক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য কারেলিয়ান যোজকে নির্মিত একটি প্রতিরক্ষা রেখা। এটি ১৯৩৯-৪০ সালের শীতকালীন যুদ্ধের সময় বিখ্যাত হয়ে ওঠে।
ক) ব্লিৎসক্রিগ রণনীতি
খ) নৌ অবরোধ রণনীতি
গ) শত্রুকে ধোকায় রাখার রণনীতি
ঘ) ম্যাজিনো লাইন দুর্ভেদ্যতা নীতি
Note : 'ব্লিৎসক্রিগ' (Blitzkrieg) বা 'বিদ্যুৎ গতির যুদ্ধ' ছিল জার্মানির একটি যুগান্তকারী রণকৌশল। এতে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ট্যাংক, বিমান এবং পদাতিক বাহিনীর সমন্বিত আক্রমণের মাধ্যমে শত্রুকে অপ্রস্তুত করে দেওয়া হতো, যা যুদ্ধের শুরুতে জার্মানিকে অভাবনীয় সাফল্য এনে দেয়।
জব সলুশন