দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয়েছিল জার্মানির –
ক) বার্লিনে
খ) ন্যুরেমবার্গে
গ) হাইডেলবার্গে
ঘ) বনে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের ন্যুরেমবার্গ (Nuremberg) শহরে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত এই ট্রাইব্যুনালে শীর্ষস্থানীয় নাৎসি নেতাদের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য বিচার করা হয়েছিল, যা 'ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল' নামে পরিচিত।
Related Questions
ক) Three
খ) Four
গ) Five
ঘ) Six
Note : ঐতিহাসিকদের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন নাৎসিদের হলোকাস্টে প্রায় ৬০ লক্ষ (six million) ইহুদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল তৎকালীন ইউরোপীয় ইহুদি জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।
ক) কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ সংঘাত
খ) হুতো-তুতসিদের লড়াই
গ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইহুদি নিধন
ঘ) গুয়ানতানামোয় বন্দিদের উপর নির্যাতন
Note : 'হলোকাস্ট' হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও তার সহযোগীদের দ্বারা প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদিকে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা করার ঘটনা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসে হলোকাস্ট নামে চিহ্নিত করা হয়।
ক) জার্মানি
খ) সুইজারল্যান্ড
গ) অস্ট্রিয়া
ঘ) চেকোস্লোভাকিয়া
Note : অ্যাডলফ হিটলার ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ব্রাউনাউ অ্যাম ইন (Braunau am Inn) নামক একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে অস্ট্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। তিনি জাতিতে জার্মান হলেও জন্মসূত্রে অস্ট্রিয়ান ছিলেন।
ক) পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
খ) পশ্চিম জার্মানি ও চেকোশ্লোভাকিয়ার মধ্যে সীমা নির্ধারক
গ) পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
ঘ) সংযুক্ত জার্মান ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক
Note : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পটসডম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওডার (Oder) এবং নীচ (Neisse) নদী দুটিকে জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যকার নতুন সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এটি 'ওডার-নীচ লাইন' নামে পরিচিত।
ক) তেহরান
খ) পটসডম
গ) বার্লিন
ঘ) মস্কো
Note : ১৯৪৫ সালের জুলাই-আগস্টে জার্মানির পটসডম শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটলি (চার্চিলের স্থলাভিষিক্ত) এবং সোভিয়েত নেতা স্ট্যালিন জার্মানির প্রশাসন, সীমানা নির্ধারণ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
ক) Procedural Matters
খ) Non-Procedural Matters
গ) Both types of Matters
ঘ) Neither Type of Matter
Note : নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা শুধুমাত্র 'নন-প্রসিডারাল' বা পদ্ধতির বহির্ভূত (substantive) বিষয়ে ভেটো প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ, সাধারণ কার্যপ্রণালী বা পদ্ধতিগত (procedural) বিষয়ে কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই।
জব সলুশন