রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ --
ক) রত্না + কর
খ) রত্ন + কর
গ) রত্না + আকার
ঘ) রত্ন + আকর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রত্নাকর' শব্দের অর্থ রত্নের খনি। এর সঠিক বিচ্ছেদ হলো 'রত্ন + আকর'। নিয়ম অনুযায়ী, অ-কারের পর আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার (া) হয়। রত্ন (অ) + আকর (আ) = রত্নাকর (আ)।
Related Questions
ক) স্বর + ইর
খ) স+ ঈর
গ) স্বীয় + ইর
ঘ) স্ব + ঈর
Note : অ-কার বা আ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার (ৈ) হয়। এখানে, স্ব (অ) + ঈর (ঈ) = স্বৈর (ঐ)। 'স্বৈর' শব্দের অর্থ স্বেচ্ছাবিহারী বা স্বাধীন।
ক) মৃন +ময়
খ) মৃং +ময়
গ) মৃৎ +ময়
ঘ) মৃঃ +ময়
Note : ত্ বা দ্-এর পরে ম্ থাকলে ত্ বা দ্-এর স্থানে ন্ হয়। এখানে, মৃৎ (মাটি) + ময় (দ্বারা গঠিত) = মৃন্ময়। এটি একটি বহুল প্রচলিত উদাহরণ।
ক) পর্য + আলোচনা
খ) পরি+ আলোচনা
গ) পর্য + লোচনা
ঘ) পর্যা + আলোচনা
Note : ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই/ঈ স্থানে য-ফলা (্য) হয়। এখানে, 'পরি' (উপসর্গ) + 'আলোচনা' (মূল শব্দ)। পরি (ই) + আলোচনা (আ) = পর্যালোচনা। 'ই' এবং 'আ' মিলে '্যা' তৈরি হয়েছে।
ক) দুঃ + লোক
খ) দি + লোক
গ) দিঃ+ লোক
ঘ) দিব্ + লোক
Note : শব্দের শেষে 'ব্'-এর পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি (যেমন ল) থাকলে 'ব্' লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে 'ও'-কার যুক্ত হয়। এখানে 'দিব্' (স্বর্গ) + 'লোক' = দ্যুলোক। এটি একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম।
ক) পরী+ঈক্ষা
খ) পড়ি+ঈক্ষা
গ) পরী+ইক্ষা
ঘ) পরি+ঈক্ষা
Note : ই-কারের পর ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঈ-কার (ী) হয়। এখানে 'পরি' একটি উপসর্গ এবং 'ঈক্ষা' (অর্থ: দর্শন বা অবলোকন) মূল শব্দ। সুতরাং, পরি (ই) + ঈক্ষা (ঈ) = পরীক্ষা (ী)। 'ঈক্ষা' বানানে দীর্ঘ ঈ-কার (ঈ) হয়, এটি মনে রাখা জরুরি।
ক) বহ্ন্যু + উৎসব
খ) বহ্নুৎ + সব
গ) বহ্ন্য + উৎসব
ঘ) বহ্নি + উৎসব
Note : ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই/ঈ স্থানে য-ফলা (্য) হয়। এখানে, বহ্নি (ই) + উৎসব (উ) = বহ্ন্যুৎসব। 'ই' এবং 'উ' মিলে '্য' এবং 'ু' কার (্যু) তৈরি করেছে।
জব সলুশন