নীল যে আকাশ = নীলাকাশ কোন সমাস?
ক) বহুব্রীহি
খ) দ্বিগু
গ) কর্মধারয়
ঘ) অব্যয়ীভাব
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে 'নীল' (বিশেষণ) এবং 'আকাশ' (বিশেষ্য) পদে সমাস হয়েছে এবং 'আকাশ' অর্থাৎ পরপদের অর্থ প্রধান। তাই এটি কর্মধারয় সমাস।
Related Questions
ক) পতি-পত্নী
খ) দম্পতি
গ) জায়া-পতি
ঘ) স্বামী-স্ত্রী
Note : জায়া ও পতি' এই ব্যাসবাক্য অনুসারে 'জায়াপতি' হওয়ার কথা থাকলেও তা না হয়ে একটি বিশেষ নিয়মে 'দম্পতি' শব্দটি গঠিত হয়। এটি একটি বহুল প্রচলিত উদাহরণ।
ক) অলুক দ্বন্দ্ব
খ) রুপক কর্মধারয়
গ) অলুক তৎপুরুষ
ঘ) কোন টি নয়
Note : 'হাতে-কলমে' এর ব্যাসবাক্য 'হাতে ও কলমে'। এটি একটি দ্বন্দ্ব সমাস। কিন্তু এখানে সমস্যমান পদের বিভক্তি (এ-বিভক্তি) সমস্তপদেও লোপ পায়নি বা অলুপ্ত রয়েছে। তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ
খ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
গ) অলুক তৎপুরুষ
ঘ) উপপদ তৎপুরুষ
Note : রসাভিষিক্ত' এর ব্যাসবাক্য হলো 'রস দ্বারা অভিষিক্ত'। এখানে 'দ্বারা' অনুসর্গটি তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন, যা সমস্তপদে লোপ পেয়েছে। তাই এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
ক) দ্বন্দ্ব
খ) বহুব্রীহি
গ) অব্যয়ীভাব
ঘ) কর্মধারয়
Note : বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর (পূর্বপদ বা পরপদ) কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, সমস্তপদটি তৃতীয় বা ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: দশানন (দশ আনন যার) বলতে রাবণকে বোঝায়, দশ বা আননকে নয়।
ক) বিপরীতার্থক
খ) সমার্থক
গ) মিলনার্থক
ঘ) বিরোধার্থক
Note : জ্বিন' ও 'পরী' শব্দ দুটি ভিন্ন হলেও এদের মধ্যে অর্থগত ও প্রায়োগিক একটি মিল রয়েছে। এই ধরনের শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
ক) বিশেষ্য ও বিশেষণ
খ) বিশেষণ ও ক্রিয়া
গ) বিশেষ্য ও বিশেষ্য
ঘ) বিশেষণ ও বিশেষণ
Note : এখানে 'হাঁড়ি' একটি বিশেষ্য পদ। এটিকে দুইবার ব্যবহার করে ('হাঁড়ি হাঁড়ি') আধিক্য বা বহুবচন বোঝানো হয়েছে। সুতরাং, এটি বিশেষ্য ও বিশেষ্য পদের যোগে গঠিত বহুবচন।
জব সলুশন