খুব ঠকা ঠকেছি'-কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
ক) করণে শূন্য
খ) কর্মে শূন্য
গ) কর্তায় শূন্য
ঘ) করণে ৭মী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক। এখানে 'কী ঠকেছি?'—এর উত্তর হলো '(খুব) ঠকা'। 'ঠকা' শব্দটি এখানে কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।
Related Questions
ক) বাহুলতা
খ) কমলমুখ
গ) বিষাদ-সিন্দু
ঘ) জ্ঞানবৃক্ষ
Note : রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় এবং ব্যাসবাক্যে 'রূপ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদ-সিন্ধু, জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ। কিন্তু 'বাহুলতা' (লতার ন্যায় বাহু) একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Note : 'শশী' ও 'কুসুম' বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত দুটি চরিত্র, যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'পুতুলনাচের ইতিকথা' থেকে নেওয়া হয়েছে। এই উপন্যাসে গ্রামীণ জীবনের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
ক) মহুয়া
খ) মলুয়া
গ) চন্দ্রাবতী
ঘ) ভেলুয়া
Note : মহুয়া, মলুয়া এবং চন্দ্রাবতী ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত বিখ্যাত পালা। 'ভেলুয়া' নামে কোনো পালা ময়মনসিংহ গীতিকায় পাওয়া যায় না, যদিও 'ভেলুয়া সুন্দরী' নামে একটি লোকগাথা চট্টগ্রামে প্রচলিত আছে।
ক) শ্লোক
খ) কবিতা
গ) গান
ঘ) ধাঁধা
Note : চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এর পদগুলো মূলত গানের আকারে রচিত হয়েছিল এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকগণ তাদের আধ্যাত্মিক সাধনার অঙ্গ হিসেবে এগুলো সুর করে গাইতেন। এর প্রতিটি পদের উপরে রাগ-নামের উল্লেখ থাকায় এটি প্রমাণিত হয়।
ক) জলধি
খ) নদী
গ) সলিল
ঘ) আকাশ
Note : 'তটিনী' শব্দের অর্থ নদী। এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী, শৈবলিনী ইত্যাদি। 'জলধি' অর্থ সমুদ্র, 'সলিল' অর্থ জল বা পানি এবং 'আকাশ' অর্থ গগন বা অম্বর।
ক) গাড়ি
খ) মানুষ
গ) পাখি
ঘ) শিক্ষক
Note : ব্যাকরণে যে শব্দ দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ কোনোটিই বোঝায় না, বরং কোনো জড় পদার্থকে বোঝায়, তাকে ক্লীব লিঙ্গ বলে। 'গাড়ি' একটি জড় বস্তু, তাই এটি ক্লীব লিঙ্গ। 'মানুষ', 'পাখি', 'শিক্ষক'—এগুলো উভয় লিঙ্গ বা নির্দিষ্ট লিঙ্গের হতে পারে।
জব সলুশন