নিচের কোনটি অজ্ঞাতমূল ধাতু ?
যে সব ধাতুর মূল বা উৎস সংস্কৃত বা অন্য কোনো পরিচিত ভাষা থেকে নির্ণয় করা যায় না, সেগুলোকে অজ্ঞাতমূল ধাতু বা দেশি ধাতু বলা হয়। 'হাস্' (সংস্কৃত: হস্), 'খা' (সংস্কৃত: খাদ), 'ঘষ্' (সংস্কৃত: ঘৃষ্) ইত্যাদি সংস্কৃত থেকে আগত। কিন্তু 'হের্' (দেখা অর্থে) ধাতুর উৎস অজ্ঞাত, তাই এটি একটি অজ্ঞাতমূল ধাতু।
Related Questions
যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার বা ধন্যাত্মক অব্যয় বলে। যেমনঃ টাপুর টুপুর, গুনগুন, ঝমঝম,কড় কড়, মর মর, শন শন ইত্যাদি।
যৌগিক ক্রিয়া একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলে গঠিত হয় (যেমন: যেতে পার, হয়ে থাকে, করতেই হবে)। কিন্তু 'মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন'—এই বাক্যে 'দেখাচ্ছেন' একটি প্রযোজক ক্রিয়া। এখানে মা নিজে কাজ না করে অন্যকে (শিশুকে) দিয়ে কাজটি করাচ্ছেন। এটি একটি একক ক্রিয়া, যৌগিক নয়।
যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গ্রন্থের নাম বোঝানো হয়, তাকে সংজ্ঞাবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য (Proper Noun) বলে। 'গীতাঞ্জলি' ও 'অগ্নিবীণা' দুটি নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থের নাম, তাই এগুলো সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য।
কাজটি শীঘ্র শেষ কর'—এই বাক্যে 'শেষ কর' একটি সমাপিকা ক্রিয়া এবং এখানে কাজটি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য বাক্যগুলিতে 'শেষ' শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (যেমন: সুখের শেষ, শেষ কথা, যার শেষ ভাল)।
চঞ্চল', 'চতুর' এবং 'চালাক'—এই তিনটি শব্দই কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ প্রকাশ করে, তাই এগুলো বিশেষণ পদ। অন্যদিকে, 'চাতুর্য' হলো একটি গুণের নাম (চালাক হওয়ার ভাব), যা একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ।
যে বিশেষণ কোনো বস্তুর অংশ বা খণ্ডাংশ বোঝায়, তাকে অংশবাচক বিশেষণ বলে। 'অর্ধেক সম্পত্তি' বলতে সম্পূর্ণ সম্পত্তির একটি অংশকে বোঝানো হচ্ছে। অন্য বিকল্পগুলো পরিমাণবাচক (পাঁচ শতাংশ, হাজার টনী) বা সংখ্যাবাচক (ছ' কিলোমিটার) বিশেষণ।
জব সলুশন