সন্ধি বিচ্ছেদ করুন: 'অন্বেষণ'।
ক) অন্বেষণ
খ) অন+এষণ
গ) অম্ব+এষণ
ঘ) অনু+এষণ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'অন্বেষণ' শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত। এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'অনু + এষণ'। নিয়মটি হলো: উ-কার বা ঊ-কারের পর উ/ঊ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ/ঊ স্থানে 'ব'-ফলা (ব) হয় এবং সেই 'ব' পরবর্তী স্বরধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। এখানে উ + এ = ব + এ = বে। তাই অনু + এষণ = অন্বেষণ।
Related Questions
ক) খাসমহল
খ) মৌলভী সাহেব
গ) রাজর্ষি
ঘ) আকণ্ঠ
Note : সঠিক উত্তর ক,খ,গ । কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয়। 'খাস যে মহল = খাসমহল', 'যিনি মৌলভী তিনিই সাহেব = মৌলভী সাহেব', এবং 'যিনি রাজা তিনিই ঋষি = রাজর্ষি'—এই তিনটিই কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। 'আকণ্ঠ' (কণ্ঠ পর্যন্ত) অব্যয়ীভাব সমাস ।
ক) ৩য়া তৎপুরুষ
খ) ৪র্থী তৎপুরুষ
গ) ৫র্মী তৎপুরুষ
ঘ) ৭মী তৎপুরুষ
Note : 'হজ্বযাত্রা' পদটির ব্যাসবাক্য হলো 'হজ্বের নিমিত্ত যাত্রা'। এখানে 'নিমিত্ত' বা 'জন্য' অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে, জন্য, নিমিত্ত) লোপ পেয়ে পরপদের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
ক) খারাপ লোক
খ) ছোট লোক
গ) পাখির ডাক
ঘ) হাতির ডাক
Note : 'কুজন' শব্দটি দুটি ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। 'কু' (মন্দ) উপসর্গযোগে 'জন' (লোক) এর সাথে যুক্ত হয়ে এর অর্থ হয় 'খারাপ লোক' বা 'দুর্জন'। আবার, পাখির কলকাকলিকেও 'কূজন' (দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে) বলা হয়। প্রদত্ত অপশন ও বানানের ভিত্তিতে, 'খারাপ লোক' অর্থটিই এখানে প্রযোজ্য।
ক) গুরুগম্ভীর
খ) গুরুচণ্ডালী
গ) অবোধ্য
ঘ) দুর্বোধ্য
Note : সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য। এই রীতিতে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ব্যবহার বেশি এবং এর কাঠামো আনুষ্ঠানিক ও অপরিবর্তনীয়। এই কারণে সাধু ভাষার প্রকাশভঙ্গি 'গুরুগম্ভীর' প্রকৃতির হয়। 'গুরুচণ্ডালী' হলো সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণজনিত একটি দোষ।
ক) চলিত রীতি
খ) সাধু রীতি
গ) কথ্য রীতি
ঘ) লেখ্য রীতি
Note : সাধু রীতি বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ও মার্জিত লেখ্য রূপ। এর পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট এবং এটি ব্যাকরণের নিয়মাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করে। অন্যদিকে, চলিত রীতি বিবর্তনশীল এবং বিভিন্ন অঞ্চলের কথ্য রীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যদিও এরও मानक ব্যাকরণ রয়েছে। কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে 'সাধু রীতি' সবচেয়ে বেশি ব্যাকরণ-অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
ক) 'ক' বর্গীয় ধ্বনি
খ) 'চ' বর্গীয় ধ্বনি
গ) 'ট' বর্গীয় ধ্বনি
ঘ) 'ত' বর্গীয় ধ্বনি
Note : বাংলা ণ-ত্ব বিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ট' বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) আগে যুক্ত 'ন' সবসময় মূর্ধন্য 'ণ'-এ রূপান্তরিত হয়। যেমন: কণ্টক, লুণ্ঠন, ভণ্ড, দণ্ড। তাই সঠিক উত্তর 'ট' বর্গীয় ধ্বনি।
জব সলুশন