'পেয়ারা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
ক) হিন্দি
খ) পর্তুগিজ
গ) গ্রিক
ঘ) উর্দু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু শব্দ বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে। 'পেয়ারা' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত। পর্তুগিজদের কাছ থেকে আরও অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, যেমন - আনারস, আলপিন, চাবি, সাবান, বালতি ইত্যাদি।
Related Questions
ক) বোঝা
খ) সমূহ
গ) গুরুত্ব
ঘ) ওজন
Note : এই বাক্যে 'ভার' শব্দটি তার আক্ষরিক অর্থ 'বোঝা' বা 'ওজন' প্রকাশ করছে না। এখানে 'কুসুম ভার' বলতে 'কুসুমের সমষ্টি' বা 'প্রচুর পরিমাণ ফুল' বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, 'ভার' শব্দটি এখানে 'সমূহ' বা 'সমষ্টি' (group/collection) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
ক) ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে
খ) ৭ম শতাব্দীতে
গ) ৮ম শতাব্দীতে
ঘ) ৯ম শতাব্দীতে
Note : ভাষা গবেষকদের মধ্যে বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে এর উদ্ভবকাল দশম শতাব্দী। তবে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার উদ্ভব সপ্তম শতাব্দীতে (আনুমানিক ৬৫০ খ্রিস্টাব্দে) গৌড়ী প্রাকৃত বা মাগধী প্রাকৃতের অপভ্রংশ থেকে হয়েছে। তার মতটিই এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে।
ক) প্রকৃতি
খ) ধাতুমূল
গ) বিভক্তি
ঘ) নামপদ
Note : ব্যাকরণে, যে শব্দকে বা কোনো শব্দের যে অংশকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রকৃতি দুই প্রকার: নাম প্রকৃতি (শব্দের মূল) এবং ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু (ক্রিয়ার মূল)। সুতরাং, শব্দ ও ধাতুর মূল অংশকে একত্রে 'প্রকৃতি' বলা হয়।
ক) ১৯টি
খ) ২০টি
গ) ২১টি
ঘ) ২২টি
Note : বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ ব্যবহৃত হয়: বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি। খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা মোট ২১টি। এগুলো হলো: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (উন), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
ক) অন্বেষণ
খ) অন+এষণ
গ) অম্ব+এষণ
ঘ) অনু+এষণ
Note : 'অন্বেষণ' শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত। এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'অনু + এষণ'। নিয়মটি হলো: উ-কার বা ঊ-কারের পর উ/ঊ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ/ঊ স্থানে 'ব'-ফলা (ব) হয় এবং সেই 'ব' পরবর্তী স্বরধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। এখানে উ + এ = ব + এ = বে। তাই অনু + এষণ = অন্বেষণ।
ক) খাসমহল
খ) মৌলভী সাহেব
গ) রাজর্ষি
ঘ) আকণ্ঠ
Note : সঠিক উত্তর ক,খ,গ । কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয়। 'খাস যে মহল = খাসমহল', 'যিনি মৌলভী তিনিই সাহেব = মৌলভী সাহেব', এবং 'যিনি রাজা তিনিই ঋষি = রাজর্ষি'—এই তিনটিই কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। 'আকণ্ঠ' (কণ্ঠ পর্যন্ত) অব্যয়ীভাব সমাস ।
জব সলুশন