ক্রিয়ার যে অংশকে বিশ্লিষ্ট করা যায় না তাকে বলে--
ক) প্রকৃতি
খ) ধাতু
গ) ব্যুৎপত্তি
ঘ) মৌলিক শব্দ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক্রিয়াপদের মূল অংশ যা আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে ধাতু বলে। যেমন 'কর' 'খা' 'যা' ইত্যাদি।
Related Questions
ক) সমাস
খ) সন্ধি
গ) প্রত্যয়
ঘ) উপসর্গ
Note : সিংহাসন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'সিংহ চিহ্নিত আসন' যা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। এখানে 'চিহ্নিত' মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। তাই এটি সমাসের মাধ্যমে গঠিত।
ক) নির্মম
খ) জলদ
গ) পিপাসা
ঘ) নিরক্ষর
Note : যে সকল শব্দ সমাস নিষ্পন্ন হয়েও ব্যাসবাক্যের অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে। 'জলদ' এর ব্যাসবাক্য 'জল দেয় যে' যা দ্বারা মেঘ ব্যতীত অন্য কিছুকেও বোঝাতে পারত কিন্তু এটি শুধু 'মেঘ' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
ক) সংস্কৃত
খ) বিদেশী
গ) তদ্ভব
ঘ) অপভ্রংশ
Note : পক্ষী' একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। এটি প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে 'পাখি' রূপ লাভ করেছে। সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
ক) ৫টি
খ) ৮টি
গ) ৪টি
ঘ) ২টি
Note : বাংলা বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে প্রধানত দুটি বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়: দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।) এবং প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?)।
ক) ঊনিশ
খ) দ্বন্দ্ব
গ) অধ্যায়ন
ঘ) সহযোগিতা
Note : অধ্যায়ন' বানানটি ভুল। সঠিক বানান হলো 'অধ্যয়ন' (অধি+অয়ন)। অন্য বানানগুলো (ঊনিশ দ্বন্দ্ব সহযোগিতা) সঠিক।
ক) দ্বন্দ্ব
খ) কর্মধারয়
গ) দ্বিগু
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note : পঞ্চনদ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'পঞ্চ (পাঁচ) নদের সমাহার'। যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
জব সলুশন